বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি

বিশ্ববিদ্য়ালয় ভর্তি পরীক্ষার যাবতীয় তথ্য

ভর্তি পরীক্ষা সেটা যেন কোন এক হতাশা,/ ক্ষুদ্র আশা/, হেরে যাওয়ার লীলাখেলা 

সুপ্রিয় ভর্তি পরীক্ষার্থীরা,

কেমন যাচ্ছে তোমাদের প্রতিটি মুহূর্ত।কোচিং,পড়াশুনা,মডেল টেস্ট সব মিলিয়ে একটু অন্যরকম।তাই না??কোচিং এর পরীক্ষায় কম নম্বর উঠতেছে।হতাশ হচ্ছো??

ঝেড়ে ফেল সকল প্রকার হতাশা।কোচিং এর পরীক্ষা কিছুই না।নিজের পড়াটা চালিয়ে যাও।নিজের ওপর বিশ্বাস রেখে সেরা প্রস্তুতিটা নাও।তাহলেই হবে।

অাজ তোমাদের কোচিং এ ভর্তি হওয়া থেকে পরীক্ষা পর্যন্ত একটু সংক্ষেপে অালোচনা করার চেষ্টা করবো।অাশা করি তোমাদের অনেক প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবে।তাহলে শুরু করা যাক।

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি সার্কুলার

অার হ্যা,একটা গোপন কথা শোনো।এটাই হলো একমাত্র সময়,যখন বাবার টাকায় সারা বাংলাদেশ ঘুরতে পারবে।তাই এমন সুযোগও হাতছাড়া করা ঠিক হবেনা।তবে মূল উদ্দেশ্য কিন্তু পরীক্ষা অার দিন শেষে বিশ্ববিদ্যালয় এর একটা সিট। ওহ হ্যা,যেটা বলছিলাম যে টাইম শিডিউল একই হলে কি করবে।বলছি শোনো।মনে করো যে চবি ও যবিপ্রবি এর পরীক্ষার দিন একই হয়ে গেছে।বা এমন রুটিন দিছে যে একটার পরীক্ষা শেষ করে অন্যটাতে যাওঢা সম্ভব নয়।সেক্ষেত্রে তোমাকে যেকোনো একটা কে পছন্দ করে নিতে হবে।কিন্তু কথা হচ্ছে যে তুমি কোনটা পছন্দ করবে!!যদি এমন হয় যে তোমার চবি তে পড়ার স্বপ্ন।।তাহলে তো অপশন নেই।কিন্তু অামার একটু মতামত অাছে।সেটা হলো যারা তুলনামূলক কিছুটা দুর্বল তারা চবি & যবিপ্রবি এর মধ্য থেকে যবিপ্রবি কে বেছে নাও।কারণ এটা সত্য যে বেশিরভাগ তুলনামূলক মেধাবীরা চবি তে যাবে।অার এই সুযোগটাকে কাজে লাগাতে হবে তোমার।অাশা করি বুঝতে পারছো।প্রতি বছরই ছাত্রছাত্রীরা এমন সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকে।অার যাদের রেজাল্ট একটু খারাপ থাকবে তারা সেই সকল ভার্সিটিতে টার্গেট করবা যেখানে রেজাল্ট মার্ক কম কাউন্ট হয়।যেমন বেশিরভাগ বিজ্ঞান প্রযুক্তি তেই রেজাল্টে মাত্র ২০মার্ক।কিন্তু ঢাবি তে ৮০ মার্ক।তাই এটা একটু মাথায় রাখতে হবে।অাশা করি কিছুটা হলেও বুঝতে পারছো যে কোথায় অাবেদন করলে তোমার ভালো হবে।সার্কুলার দিলেই শিওর হয়ে যাবে যে কোথায় কেমন পয়েন্ট কাউন্ট হয়।অার সকল সার্কুলার ই পাবে অামাদের ওয়েবসাইটে,পেজ & গ্রপে। পরীক্ষার ফরম তো তুললে।এখন সমস্যা হলো যাতায়ন,থাকা খাওয়া।এটা অ্যাডমিশন এর সময় বড় একটা সমস্যা।বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির ছেলেমেয়ে গুলোর জন্য।এবার চলো তাইলে তোমার অাশার বাণী শুনাই।অ্যাডমিশন এর সময় থাকা খাওয়া নিয়ে তোমন টেনশন করতে হবে।কথায় অাছে না,”যদি হয় সুজন,তেতুল পাতায় নয় জন”।হ্যা সেটায়।অার এ ব্যাপারে সব বড় সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেয় ভার্সিটির বড় ভাইয়েরা।পরিচিত অপরিচিত কেওকেই তারা ফেলে দেয়না।তাদের কাছে একবার মুখ ফুটে বললেই তোমার রাতে মাথা গুজার একটা ব্যবস্থা হয়ে যাবেই।তবে যারা কারো সাখে বেড শেয়ার করতে পারোনা তাদের জন্য অালাদা ব্যবস্থা সম্ভব নয়।এখানে এক বেডে ২/৩ জনও থাকা লাগবে।অনেক সময় খাটগুলো বের করে দিয়ে ছেট্ট রুমে ৭/৮ জন করে থাকতে হবে।মনে রেখো এটাও অনেকে পাবেনা।তারা গিয়ে উঠবে মসজিদের ভিতর অনেক সময় ধর্মীয় ভেদাভেদ ভুলে হিন্দু মুসলিম সবাই মসজিদেই রাত কাটায়।অার এটা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।অার তোমাদের রুম ছেড়ে দিয়ে শীতের রাতে ভার্সিটির ভাইয়াদের রাত বিনিদ্রীত ভাবে।তবে অনেক ছেলেদের দেখি বাবা/মা/গার্জিয়ান নিয়ে যাই।ভাই তোমাদের বলছি,একা চলতে শেখো।প্লিজ গার্জিয়ান না অানার চেষ্টা করো।বিশেষ করে যারা ভার্সিটির হলে উঠবা।কারণ তাদের জন্য অালাদা ঘুমোনোর জায়গা ম্যানেজ করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার।অার না হলে হোটেল ভাড়া করো।তবে মেয়েদের ব্যাপারটা অালাদা।ওদের সাথে গার্জিয়ান থাকাটা অস্বাভাবিক কিছুনা।তবে খাওয়া দাওয়া কিন্তু নিজেদের।”>

কোথায় কোচিং করবো???

ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির এসময়ে পরীক্ষার্থীরা সব থেকে বেশি যে সমস্যায় ভোগে সেটা হলো সিদ্ধান্তহীনতা।কোথায় কোচিং করবো,ঢাকায় করবো নাকি এলাকায়।কোন ইউনিটে করবো।অার সব থেকে বড় সমস্যায় পড়ে সাইন্সের ছাত্ররা।কারণ তাদের অপশন মোট ৪টা।মেডিকেল,ইঞ্জিনিয়ারিং,ক & ঘ ইউনিট।

প্রথমেই বলি মেডিকেলে করতে হলে রেজাল্ট অবশ্যই খুব ভালো হতে হবে।নাহলে মার্কে পিছিয়ে যাবে অনেক।অার রসায়ন,জীববিজ্ঞান এর ওপর যথেষ্ট দক্ষতা থাকতে হবে।এরপর ইঞ্জিনিয়ারিং।বলে রাখি রেজাল্ট ভালো নাহলে ইঞ্জিনিয়ারিং এর ফরম তোলাই যাবেনা।তাই এখানেও রেজাল্ট অনেক বড় ফ্যাক্ট।অার এর পরও গণিত,পদার্থ,রসায়নের বস হতে হবে।
এবার ‘ক’ ইউনিট।তবে তার অাগে ‘ঘ’ ইউনিটটা শেষ করে দেই।এক কথায় যাদের বিভাগের বিষয়গুলোতে দক্ষতা কম তারা ‘ঘ’ তে চলে যাও।তবে ইংরেজিতে অবশ্যই ভালো হতে হবে।গ্যাপ থাকলে এই ৩/৪ মাসে পুরণ করে নাও।সময় বেশি দাও।।অাবেগের বশে নিজের জীবন নষ্ট করবেনা।পরে কান্না করতে হবে।অার যাদের বিভাগের বিষয় গুলোতে দক্ষতা ভালো কিন্তু রেজাল্ট নিয়ে টেনশন একটু তারা ‘ক’ তে থাকতে পারো।

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রশ্নব্যাংক

এবার অাসি মানবিক এ।অপশন একটাই।তবে অবশ্যই ইংরেজিতে ভালো হতে হবে।গ্যাপ থাকলে এই ৩/৪ মাসে পুরণ করে নাও।সময় বেশি দাও।চেষ্টা করো।পারবে।

কমার্সের ক্ষেত্রে ২টা অপশন।গ & ঘ।ঘ এর জন্য অন্যদের মতো একই কথা।অার নিজের ইউনিটে করতে হলে নিজের বিষয়ের উপরও যথেষ্ট দক্ষতা থাকতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বই

ঘ।ঘ এর জন্য অন্যদের মতো একই কথা।অার নিজের ইউনিটে করতে হলে নিজের বিষয়ের উপরও যথেষ্ট দক্ষতা থাকতে হবে। এবার অাসি কোচিং এর মডেল টেষ্ট নিয়ে।দেখা যায় যে বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রীই কোচিং এর পরীক্ষায় অনেক খারাপ করে।অার সেটা নিয়ে খুবই হতাশ।বিশেষ করে উদ্ভাসের স্টুডেন্ট গুলো।তবে জেনে রেখো,এটা খুবই নরমাল ব্যাপার।কোচিং এর পরীক্ষায় অনেব ফালতু প্রশ্নও করা হয়।সো এটা নিয়ে হতাশ হওয়ার কোনোই দরকার নেই। শোনো,কোচিং এর শিট পড়ে খুব একটা লাভ হবেনা।টেক্সট বুকের পাশাপাশি কিছু বইও তোমাকে পড়তে হবে।বলতে পারো গাইডলাইন হিসেবে।কোচিং বা ভার্সিটির কোনো বড় ভাইয়াকে জিজ্ঞাসা করলে সে বলে দিবে যে কোনটা ভালো হয়।তবে অবশ্যই প্রশ্নব্যাংক মুখস্ত করে ফেলতে হবে।অনেক কমন অাসবে এখান থেকে। কোচিং তো শেষ হলো।এখন ভার্সিটির ফরম তুলতে হবে।কোথায় কোথায় তুলবে বুঝতে পারছোনা তো??অাবার অনেক সময় টাইম শিডিউল এক হয়ে যাবে কিছু কিছু ভার্সিটির।এক্ষেত্রে সুবিধাও অাছে।বলছি সবই।তার অাগে বলবো যে যত পারো বেশি বেশি ফরম তুলতে হবে।হাতে অনেক বেশি সুযোগ থাকতে হবে।অার হ্যা,একটা গোপন কথা শোনো।এটাই হলো একমাত্র সময়,যখন বাবার টাকায় সারা বাংলাদেশ ঘুরতে পারবে।তাই এমন সুযোগও হাতছাড়া করা ঠিক হবেনা।তবে মূল উদ্দেশ্য কিন্তু পরীক্ষা অার দিন শেষে বিশ্ববিদ্যালয় এর একটা সিট। ওহ হ্যা,যেটা বলছিলাম যে টাইম শিডিউল একই হলে কি করবে।বলছি শোনো।মনে করো যে চবি ও যবিপ্রবি এর পরীক্ষার দিন একই হয়ে গেছে।বা এমন রুটিন দিছে যে একটার পরীক্ষা শেষ করে অন্যটাতে যাওঢা সম্ভব নয়।সেক্ষেত্রে তোমাকে যেকোনো একটা কে পছন্দ করে নিতে হবে।কিন্তু কথা হচ্ছে যে তুমি কোনটা পছন্দ করবে!!যদি এমন হয় যে তোমার চবি তে পড়ার স্বপ্ন।।তাহলে তো অপশন নেই।কিন্তু অামার একটু মতামত অাছে।সেটা হলো যারা তুলনামূলক কিছুটা দুর্বল তারা চবি & যবিপ্রবি এর মধ্য থেকে যবিপ্রবি কে বেছে নাও।কারণ এটা সত্য যে বেশিরভাগ তুলনামূলক মেধাবীরা চবি তে যাবে।অার এই সুযোগটাকে কাজে লাগাতে হবে তোমার।অাশা করি বুঝতে পারছো।প্রতি বছরই ছাত্রছাত্রীরা এমন সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকে।অার যাদের রেজাল্ট একটু খারাপ থাকবে তারা সেই সকল ভার্সিটিতে টার্গেট করবা যেখানে রেজাল্ট মার্ক কম কাউন্ট হয়।যেমন বেশিরভাগ বিজ্ঞান প্রযুক্তি তেই রেজাল্টে মাত্র ২০মার্ক।কিন্তু ঢাবি তে ৮০ মার্ক।তাই এটা একটু মাথায় রাখতে হবে।অাশা করি কিছুটা হলেও বুঝতে পারছো যে কোথায় অাবেদন করলে তোমার ভালো হবে।সার্কুলার দিলেই শিওর হয়ে যাবে যে কোথায় কেমন পয়েন্ট কাউন্ট হয়।অার সকল সার্কুলার ই পাবে অামাদের ওয়েবসাইটে,পেজ & গ্রপে। পরীক্ষার ফরম তো তুললে।এখন সমস্যা হলো যাতায়ন,থাকা খাওয়া।এটা অ্যাডমিশন এর সময় বড় একটা সমস্যা।বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির ছেলেমেয়ে গুলোর জন্য।এবার চলো তাইলে তোমার অাশার বাণী শুনাই।অ্যাডমিশন এর সময় থাকা খাওয়া নিয়ে তোমন টেনশন করতে হবে।কথায় অাছে না,”যদি হয় সুজন,তেতুল পাতায় নয় জন”।হ্যা সেটায়।অার এ ব্যাপারে সব বড় সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেয় ভার্সিটির বড় ভাইয়েরা।পরিচিত অপরিচিত কেওকেই তারা ফেলে দেয়না।তাদের কাছে একবার মুখ ফুটে বললেই তোমার রাতে মাথা গুজার একটা ব্যবস্থা হয়ে যাবেই।তবে যারা কারো সাখে বেড শেয়ার করতে পারোনা তাদের জন্য অালাদা ব্যবস্থা সম্ভব নয়।এখানে এক বেডে ২/৩ জনও থাকা লাগবে।অনেক সময় খাটগুলো বের করে দিয়ে ছেট্ট রুমে ৭/৮ জন করে থাকতে হবে।মনে রেখো এটাও অনেকে পাবেনা।তারা গিয়ে উঠবে মসজিদের ভিতর অনেক সময় ধর্মীয় ভেদাভেদ ভুলে হিন্দু মুসলিম সবাই মসজিদেই রাত কাটায়।অার এটা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।অার তোমাদের রুম ছেড়ে দিয়ে শীতের রাতে ভার্সিটির ভাইয়াদের রাত বিনিদ্রীত ভাবে।তবে অনেক ছেলেদের দেখি বাবা/মা/গার্জিয়ান নিয়ে যাই।ভাই তোমাদের বলছি,একা চলতে শেখো।প্লিজ গার্জিয়ান না অানার চেষ্টা করো।বিশেষ করে যারা ভার্সিটির হলে উঠবা।কারণ তাদের জন্য অালাদা ঘুমোনোর জায়গা ম্যানেজ করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার।অার না হলে হোটেল ভাড়া করো।তবে মেয়েদের ব্যাপারটা অালাদা।ওদের সাথে গার্জিয়ান থাকাটা অস্বাভাবিক কিছুনা।তবে খাওয়া দাওয়া কিন্তু নিজেদের।”>

নার্সিং ভর্তি প্রক্রিয়া ও সকল খুটিনাটি

মডেল টেষ্টের নাম্বার কম পাচ্ছো???

এবার অাসি কোচিং এর মডেল টেষ্ট নিয়ে।দেখা যায় যে বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রীই কোচিং এর পরীক্ষায় অনেক খারাপ করে।অার সেটা নিয়ে খুবই হতাশ।বিশেষ করে উদ্ভাসের স্টুডেন্ট গুলো।তবে জেনে রেখো,এটা খুবই নরমাল ব্যাপার।কোচিং এর পরীক্ষায় অনেব ফালতু প্রশ্নও করা হয়।সো এটা নিয়ে হতাশ হওয়ার কোনোই দরকার নেই।

শোনো,কোচিং এর শিট পড়ে খুব একটা লাভ হবেনা।টেক্সট বুকের পাশাপাশি কিছু বইও তোমাকে পড়তে হবে।বলতে পারো গাইডলাইন হিসেবে।কোচিং বা ভার্সিটির কোনো বড় ভাইয়াকে জিজ্ঞাসা করলে সে বলে দিবে যে কোনটা ভালো হয়।তবে অবশ্যই প্রশ্নব্যাংক মুখস্ত করে ফেলতে হবে।অনেক কমন অাসবে এখান থেকে।

কোন কোন ভার্সিটিতে আবেদন করবে???

কোচিং তো শেষ হলো।এখন ভার্সিটির ফরম তুলতে হবে।কোথায় কোথায় তুলবে বুঝতে পারছোনা তো??অাবার অনেক সময় টাইম শিডিউল এক হয়ে যাবে কিছু কিছু ভার্সিটির।এক্ষেত্রে সুবিধাও অাছে।বলছি সবই।তার অাগে বলবো যে যত পারো বেশি বেশি ফরম তুলতে হবে।হাতে অনেক বেশি সুযোগ থাকতে হবে।অার হ্যা,একটা গোপন কথা শোনো।এটাই হলো একমাত্র সময়,যখন বাবার টাকায় সারা বাংলাদেশ ঘুরতে পারবে।তাই এমন সুযোগও হাতছাড়া করা ঠিক হবেনা।তবে মূল উদ্দেশ্য কিন্তু পরীক্ষা অার দিন শেষে বিশ্ববিদ্যালয় এর একটা সিট।
ওহ হ্যা,যেটা বলছিলাম যে টাইম শিডিউল একই হলে কি করবে।বলছি শোনো।মনে করো যে চবি ও যবিপ্রবি এর পরীক্ষার দিন একই হয়ে গেছে।বা এমন রুটিন দিছে যে একটার পরীক্ষা শেষ করে অন্যটাতে যাওঢা সম্ভব নয়।সেক্ষেত্রে তোমাকে যেকোনো একটা কে পছন্দ করে নিতে হবে।কিন্তু কথা হচ্ছে যে তুমি কোনটা পছন্দ করবে!!যদি এমন হয় যে তোমার চবি তে পড়ার স্বপ্ন।।তাহলে তো অপশন নেই।কিন্তু অামার একটু মতামত অাছে।সেটা হলো যারা তুলনামূলক কিছুটা দুর্বল তারা চবি & যবিপ্রবি এর মধ্য থেকে যবিপ্রবি কে বেছে নাও।কারণ এটা সত্য যে বেশিরভাগ তুলনামূলক মেধাবীরা চবি তে যাবে।অার এই সুযোগটাকে কাজে লাগাতে হবে তোমার।অাশা করি বুঝতে পারছো।প্রতি বছরই ছাত্রছাত্রীরা এমন সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকে।অার যাদের রেজাল্ট একটু খারাপ থাকবে তারা সেই সকল ভার্সিটিতে টার্গেট করবা যেখানে রেজাল্ট মার্ক কম কাউন্ট হয়।যেমন বেশিরভাগ বিজ্ঞান প্রযুক্তি তেই রেজাল্টে মাত্র ২০মার্ক।কিন্তু ঢাবি তে ৮০ মার্ক।তাই এটা একটু মাথায় রাখতে হবে।অাশা করি কিছুটা হলেও বুঝতে পারছো যে কোথায় অাবেদন করলে তোমার ভালো হবে।সার্কুলার দিলেই শিওর হয়ে যাবে যে কোথায় কেমন পয়েন্ট কাউন্ট হয়।অার সকল সার্কুলার ই পাবে অামাদের ওয়েবসাইটে,পেজ & গ্রপে।

সকল বইয়ের পিডিএফ

পরীক্ষা দিতে কিভাবে যাবো, কোথায় থাকবো???

পরীক্ষার ফরম তো তুললে।এখন সমস্যা হলো যাতায়ত,থাকা খাওয়া।এটা অ্যাডমিশন এর সময় বড় একটা সমস্যা।বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির ছেলেমেয়ে গুলোর জন্য।এবার চলো তাইলে তোমার অাশার বাণী শুনাই।অ্যাডমিশন এর সময় থাকা খাওয়া নিয়ে তোমন টেনশন করতে হবে।কথায় অাছে না,”যদি হয় সুজন,তেতুল পাতায় নয় জন”।হ্যা সেটায়।অার এ ব্যাপারে সব বড় সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেয় ভার্সিটির বড় ভাইয়েরা।পরিচিত অপরিচিত কেওকেই তারা ফেলে দেয়না।তাদের কাছে একবার মুখ ফুটে বললেই তোমার রাতে মাথা গুজার একটা ব্যবস্থা হয়ে যাবেই।তবে যারা কারো সাখে বেড শেয়ার করতে পারোনা তাদের জন্য অালাদা ব্যবস্থা সম্ভব নয়।এখানে এক বেডে ২/৩ জনও থাকা লাগবে।অনেক সময় খাটগুলো বের করে দিয়ে ছেট্ট রুমে ৭/৮ জন করে থাকতে হবে।মনে রেখো এটাও অনেকে পাবেনা।তারা গিয়ে উঠবে মসজিদের ভিতর অনেক সময় ধর্মীয় ভেদাভেদ ভুলে হিন্দু মুসলিম সবাই মসজিদেই রাত কাটায়।অার এটা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।অার তোমাদের রুম ছেড়ে দিয়ে শীতের রাতে ভার্সিটির ভাইয়াদের রাত বিনিদ্রীত ভাবে।তবে অনেক ছেলেদের দেখি বাবা/মা/গার্জিয়ান নিয়ে যাই।ভাই তোমাদের বলছি,একা চলতে শেখো।প্লিজ গার্জিয়ান না অানার চেষ্টা করো।বিশেষ করে যারা ভার্সিটির হলে উঠবা।কারণ তাদের জন্য অালাদা ঘুমোনোর জায়গা ম্যানেজ করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার।অার না হলে হোটেল ভাড়া করো।তবে মেয়েদের ব্যাপারটা অালাদা।ওদের সাথে গার্জিয়ান থাকাটা অস্বাভাবিক কিছুনা।তবে খাওয়া দাওয়া কিন্তু নিজেদের।ভাইয়েরা ম্যানেজ করে দিবেনা।সমস্যা নাই।হলের ক্যান্টিনে অনেক কম দামে খাবার পাবে।এছাড়াও অনেক হোটেল পাবে।
এবার অাসি যাতায়াতে।প্রথমেই বলি টিকেট কয়েকদিন অাগেই কেটে রাখবা সময় মতো টিকিট পেতে অনেক কষ্ট হবে।তাই ৭/৮ দিন অাগে টিকিট কেটে রাখবে।অার কোথায় নামতে হবে,পরবর্তীতে কিভাবে যেতে হবে বিস্তারিত অাগেই জেনে নিবে।অার তার জন্য ওই সহৃদয়বান ভার্সিটির ভাইয়া/অাপুরা অাছেই।

বিভিন্ন প্রকার চাকরির সার্কুলার

চলে তো অাসলে পরীক্ষা দিতে।এবার তোমার কেন্দ্র দেখে ভাইয়াদের থেকে ঠিকানা জেনে সেই ভাবে সময় হাতে নিয়ে বের হবে।প্রবেশ পত্রের ওপর নিয়মকানুন দেওয়া থাকবে।দেখে নিবে।মোবাইল,ঘড়ি না নেওয়ার চেষ্টা করবে।অার নিলেও ভিতরে রাখতে দিবে।ভয় নাই।

এবার শুরু হবে তোমার যুদ্ধ।দীর্ঘ দিন ধরে নেওয়া প্রস্তুতির সেই যুদ্ধধ এবার শুরু।লড়াই করো।মাথা ঠান্ডা রেখে।মনে রাখবে ওই এক ঘণ্টা যারা ভার্সিটিটাও তার।অসাদুপায় অবলম্বন করতে গিয়ে নিজের জীবনটা নষ্ট করবেনা।জয় হবেই।
তোমার প্রেরণা তুমি নিজেই….

দেখা হবে বিজয়ে…♥

Back to top button
Close
Close