এ্যাসাইনমেন্ট

৮ম শ্রেণীর এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

সকল সপ্তাহের অষ্টম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১ | ৮ম শ্রেণীর এসাইনমেন্ট মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.dshe.gov.bd -এর প্রকাশ করা হয়েছে । ২০২০ সালের মত এ বছরও ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের এ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে। আগামী ২০ মার্চ ২০২১ তারিখ থেকে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজের মাধ্যমে মূল্যায়ন প্রক্রিয়া কার্যকর হবে। চলুন, অষ্টম শ্রেণীর এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জেনে নেই।

৮ম শ্রেণীর এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

২০ মার্চ ২০২১ তারিখ অর্থাৎ শনিবার হতে ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্দিষ্ট কিছু কাজ দেওয়া হবে যা শিক্ষার্থীদের শেষ করে সপ্তাহের শেষের দিক স্কুলে জমা দিতে হবে। প্রতি সপ্তাহ শুরুর ০২ দিন পূর্বে এভাবে বিভিন্ন বিষয়ের উপর এ্যাসাইনমেন্ট ধারাবাহিকভাবে দেওয়া হবে। এ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমেই অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ব্যাবস্থা করা হয়েছে। এ্যাসাইনমেন্ট জমা দিয়ে নতুন এ্যাসাইনমেন্ট শিক্ষার্থীরা চাইলে Online থেকেও নিতে পারবে আবার স্কুল থেকেও নিতে পারবে।

এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ
  • ৩য় সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রকাশ : ৩১ মার্চ ২০২১
  • মোট বিষয় : ২টি

৩য় সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান

দ্বিতীয় সপ্তাহের নির্ধারিত কাজ হাতে লিখে জমা দেওয়ার পর তৃতীয় সপ্তাহের কাজ দেওয়া হয়েছে। ৩য় সপ্তাহে অষ্টম শ্রেণীতে যেসকল বিষয়ের উপর এসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে :-

  • গণিত সমাধান

জ্যামিতিক চিত্রগুলাে সমান দৈর্ঘ্যের রেখাংশ দিয়ে তৈরি করা একটি প্যাটার্ন। |

(ক) প্যাটার্নের চতুর্থ চিত্রটি তৈরি করে রেখাংশের সংখ্যা নির্ণয় কর।

(খ) উল্লেখিত প্যাটার্নটি কোন বীজ গণিতীয় রাশিকে সমর্থন করে তা যুক্তিসহ উপস্থাপন কর।

(গ) উল্লেখিত প্যাটার্নটির প্রথম ২০টি চিত্র তৈরি করতে মােট কতটি রেখাংশ দরকার হবে- তা নির্ণয় কর।

গণিত অংশের উত্তর দেখুন এখান থেকে

  • কৃষি শিক্ষা সমাধান

রুমির বাবা একজন কৃষি বিজ্ঞানী। তিনি মিষ্টি ও উচ্চফলনশীল আমের একটি জাত উদ্ভাবন করেন যা বারি-৪ নামে মাঠ পর্যায়ে সফলভাবে উৎপাদিত হচ্ছে। গত ১৬ই ডিসেম্বর ২০২০ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর এই অবদানের জন্য তাঁকে রাষ্ট্রপতি পদক প্রদান করে সম্মানিত করেন। রুমির বাবার এমন সম্মান প্রাপ্তির পিছনে নিম্নলিখিত বিষয়গুলাে তার মনে যে আলােড়ন সৃষ্টি করেছে সে ব্যাপারে তােমার সুচিন্তিত মতামত উল্লেখ কর?

১নং উত্তর : ধান, পাট, গম, আখ , চাষযােগ্য কৈ মাছ , মিষ্টি জাতের আম , মাল্টা ইত্যাদি উদ্ভাবনে কৃষিবিজ্ঞানীদের নিরলস পরিশ্রম ও গবেষণায় অবদান রয়েছে। তাছাড়া বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ৮৮ টি ইনব্রিড। ও ৬ টি উচ্চফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। পরমাণু শক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৮ টি গুরুত্বপূর্ণ। ফসলের মােট ১০৮ টি উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাঞ্চন করেছে এবং দেশের কৃষির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে অবদান রেখে চলছেন ।

২নং উত্তর : আমাদের দেশের বিভিন্ন গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণার মাধ্যমে এসব নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন। । কষিতে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য। উন্নত দেশের মতাে আমাদের দেশেও বিভিন্ন গবেষণা। ইনস্টিটিউট রয়েছে। এসব ইনস্টিটিউট ও প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞানীরা কৃষির বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযােগ্য অবদান রেখে চলেছেন। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ।

যা ১০৩ টিরও বেশি ফসলের কৃষি বিষয়ক গবেষণা | কার্যক্রম পরিচালক্ষ করে । প্রতিষ্ঠানটি গাজীপুরের।
জয়দেবপুরে অবস্থিত। বর্তমানে বাংলাদেশের চারটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি পূর্ণাঙ্গ ভেটেরিনারি | বিশ্ববিদ্যালয় চালু রয়েছে। প্রায় সকল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি বিজ্ঞান পড়ানাের পাশাপাশি | শিক্ষকগণ গবেষণা করে থাকেন। তাদের গবেষণায় প্রাপ্ত উন্নত জাত ও উৎপাদন প্রযুক্তি সম্পর্কে কষি। সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও মাঠকর্মীরা কৃষকদেরকে অবহিত করেন।

৩ নং উত্তর : বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে প্রতিকুল ও অপ্রতিকূল পরিবেশ উপযােগী উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন । বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এই পর্যন্ত ১০৬ টি (৯৯ টি ইনব্রিড ও ৭ টি হাইব্রিড) উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। তম্মধ্যে । বন্যার শেষে ধান চাষের জন্য বিলম্ব জাত হিসেবে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কিরণ ও দিশারি’ নামের দুইটি ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে ।

৪ নং উত্তর :  কৃষিবিজ্ঞানীরা ধানছাড়াও অন্যান্য যে যে জাত উদ্ভাবন করেছেন- যা কষকেরা মাঠে চাষাবাদ করে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তা। | নিচে বর্ণনা করা হল। ফুলের পরাগায়নের সময়। পিতৃগাছের গুণাগুণ যুক্ত হওয়ার সুযােগ থাকে কিন্তু | অঙ্গজ প্রজননে সে আশঙ্কা থাকে না । ফসলের বীজ | ও নতুন নতুন জাত উন্নয়ন , বীজ সংরক্ষণ, রােগ। -বালাইয়ের কারণ সনাক্তকরণ, ফসলের পুষ্টিমান। বাড়ানাে- এ সকল কাজই কৃষিবিজ্ঞানীরা করে থাকেন বিজ্ঞানীদের পরামর্শে কৃষকেরা কলা, আম, লিচু, কমলা , গােলাপ ইত্যাদির উৎপাদনে অঙ্গজ প্রজনন । ব্যবহার করে থাকেন । কৃষি বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তিগুলাে কৃষকরা গ্রহণ করেছেন বলেই উচ্চ ফলনশীল ধান, গম, ভুট্টা, যব এইসব শস্যের উৎপাদনশীলতা আগের তুলনায় অনেক গুন বেড়ে গিয়েছে। কৃষি বিজ্ঞানীরা নানা ধরনের ফুল, ফল , শাকসবজি ও বৃক্ষ বিদেশ থেকে এনে এদেশের কৃষিতে সংযােজন করেছেন। এগুলাের সাথে সংকরায়ন করে দেশীয় পরিবেশ সহনীয় নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন, | যেগুলাে এ দেশের কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ।

৫ নং উত্তর : কৃষিতে বাংলাদেশের সাফল্য ঈর্ষণীয় । কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীল্পি অন্যতম চালিকাশক্তি । জীবন জীবিকার পাশাপাশি আমাদের সার্বিক উন্নয়নে কৃষি । ওতপ্রােতভাবে জড়িয়ে আছে। তাই কষির উন্নয়ন মানে | দেশের সার্বিক উন্নয়ন। বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ । এদেশে শতকরা ৭৫ ভাগ লােক গ্রামে বাস করে। বাংলাদেশের গ্রাম এলাকায় ৫৯.৮৪% লােকের এবং শহর এলাকায় ১০.৮১ % লােকের কৃষিখামার রয়েছে। মােট দেশজ উৎপাদন তথা জিডিপিতে কৃষিখাতের। অবদান ১৯.১% এবং কৃষিখাতের মাধ্যমে ৪৮.১% , মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে। ধান, পাট, তুলা , আখ, ফুল ও রেশমগুটির চাষসহ বাগান সম্প্রসারণ , মাছ চাষ , সবজি চাষাবাদ ও পােস্টি, ডেইরী ও মৎস্য খামার করে মানুষ দিনকে দিনকে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। । দেশে পােষ্ট্রি একটি শিল্প হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং বাজারে মাছের একটা বড় অংশ এখন আসছে চাষকৃত মাছ থেকে। দেশ অজি চালে উদ্বৃত্ত; ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে চতুর্থ ।

নিবিড় চাষের মাধ্যমে বাংলাদেশ সবজি উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে উন্নীত হয়েছে। আলু উৎপাদনে বাংলাদেশ উদ্বৃত্ত এবং বিশ্বে সপ্তম । দেশে ফল উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। আম উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে সপ্তম এবং পেয়ারায় অষ্টম । কৃষি উৎপাদনের এই অগ্রগতি গ্রামীণ মানুষের জীবনধারায় পরিবর্তন এনেছে। উৎপাদনে বৈচিত্র্য বেড়েছে, সেই সাথে প্রতিযােগীতা। বেড়েছে। একই সাথে বেড়েছে পুঁজির ব্যবহার । মাছি, মুরগি ও ডিম উৎপাদন প্রায় শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছে গেছে । তাই বলা যায়, এ সমস্ত কৃষিজাত দ্রব্য উৎপাদনের মাধ্যমে বেকার মানুষের কৃষিক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের

  • গার্হস্থ্য বিজ্ঞান সমাধান

বর্তমান কোভিড-১৯। পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তুমি সারাদিন বাসায় অবস্থান করছাে। সময় তালিকা | প্রণয়ন করে লেখা-পড়া ও অন্যান্য কাজ-কর্ম করা উচিত। তাই এ পরিস্থিতিতে তােমার দৈনন্দিন কাজকর্ম কীভাবে করছ ?

সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশী। অপর দিকে জীবনকে সুন্দর ভাবে সাজাতে সময়ের প্রয়ােজন অনস্বীকার্য। মানুষের জীবনে সময় এমনই এক সম্পদ, যা সবার জন্য সমান এবং একেবারেই সীমিত। এই সীমিত সম্পদের মধ্যে যে ব্যক্তি যত বেশি অর্থবহ কাজ দিয়ে নিজেকে সময়ের সাথে সম্পৃক্ত করতে পারবে, জীবনে সে ততাে বেশি সফলকাম হবে। সময়কে যথাযথভাবে ব্যবহার করে মানুষ ব্যক্তিগত, অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
প্রতিদিন আমাদের জন্য ২৪ ঘন্টা সময় বরাদ্দ রয়েছে। কোন অবস্থাতেই একে বাড়ানাে সম্ভব নয়। অথচ চাহিদা অনুযায়ী আমাদের অনেক কাজ। করার থাকে । সে কারণেই সময়ের সদ্ব্যবহার এর প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। আমাদের উদ্দেশ্য হবে কম সময় ব্যয় করে বেশি কাজ করা এবং সময়ের অপচয় না করা। আর সেজন্যই আমাদের সময়ের পরিকল্পনা করা প্রযােজন। একদিনে আমরা কি কাজ করব , কখন করব , নির্দিষ্ট কাজে দেয়। কতটুকু সময় ব্যয় করবাে ইত্যাদির সমন্বয়ে একটি লিখিত পরিকল্পনা বা সময়-তালিকা প্রণয়ন করা হয়।

আমার সারাদিনের কর্মকাণ্ডের জন্য একটি সময় তালিকা প্রণয়ন করা হলােঃ

সকাল 

৫:০০ টায় – ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া।

৫:২০ টায় – প্রার্থনা করা।

৫:৪০ টায় – হালকা নাস্তা করা।

৬:০০ টায় – শরীরচর্চা করা।

৬:৩০ টায় – পড়তে বসা (গণিত, বিজ্ঞান পড়া )

৮:৩০ টায় – সকালের নাস্তা করা

৯:৩০ টায় – ঘরের কাজে সহায়তা করা, ঘর গােছানাে।

১০:৩০ টায় – গাছ-গাছড়ার পরিচর্যা করা, গাছে পানি দেয়া।

১১:৩০ টায় – গােসল করা।

দুপুর

১২:০০ টায় – দুপুরের খাবার খাওয়া।

১২:৩০ টায় – বিশ্রাম নেয়া।

১:০০ টায় – প্রার্থনা করা।

১:৩০ টায় – বিশ্রাম ( ঘুমানাে

৩:৩০ টায় – পড়তে বসা (ইংরেজি)।

বিকাল ৪:৩০ টায় – প্রার্থনা করা।

৫:০০ টায় – খেলাধুলা করা।

সন্ধ্যা

৬:০০ টায় – প্রার্থনা করা।

৬:২০ টায় – হালকা নাস্তা করা।

রাত
৬:৩০ টায় – পড়তে বসা ( বাংলা, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় )।

৮:৩০ টায় – প্রার্থনা করা।

৯:০০ টায় – রাতের খাবার খাওয়া।

৯:৩০ টায় – পড়তে বসা ( বাকি বিষয়গুলো)

১০:৩০ টায় – টেলিভিশন দেখা। | ১১:৩০ টায় – ঘুমাতে যাওয়া। ছয়

সারাদিনের কর্মকাণ্ডের সময় তালিকা প্রণয়ন এর প্রয়ােজনীয়তা ও বিবেচ্য বিষয় সময় তালিকার প্রয়ােজনীয়তাঃ

১) করণীয় কাজ সম্পর্কে ধারণা হয়। কোন কাজগুলাে বেশি এবং কোন | কাজগুলাে কম প্রযােজনীয় সে সম্বন্ধে সঠিক ধারণা লাভ করা যায়।

২) সময়মতাে কাজ করার অভ্যাস গড়ে উঠে। কাজের সময় নির্ধারিত
থাকে বলে সময়ের কাজ সময়ে করার অভ্যাস গড়ে ওঠে।

৩) প্রতিটা কাজে কতটুকু সময় ব্যয় হয় তার ধারণা জন্মে।

৪) কাজের দক্ষতা ও গতিশীলতা বাড়ে। সময় তালিকা অনুসরণ করলে সময় মত কাজ শেষ হয়ে যায়। বাড়তি সময়ে বিভিন্ন রকম সৃজনশীল। কাজের সুযােগ পাওয়া যায়।

৫) বিশ্রাম, অবসর ও বিনােদন করা সম্ভব হয়। কারণ, সময় তালিকায় কাজ, বিশ্রাম ও অবসর বিনােদনের ব্যবস্থা থাকে।

ছােটবেলা থেকেই আমাদের সবারই সময়ের প্রতি যত্নবান হওয়া দরকার। সময় মতাে সব কাজ করলে কাজ জমে যায় না। ফলে প্রয়ােজনীয় কাজগুলাে সহজেই সম্পন্ন করা যায়। যেমন- ছাত্রছাত্রীরা যদি প্রতিদিনের | পড়ালেখা সময়মত সম্পন্ন করে, তাহলে সে খুব সহজে কৃতকার্য হতে | পারবে। আর যে সময় মত পড়ালেখা করে না, পরীক্ষার সময় পড়া তার
কাছে বােঝা মনে হবে । সময় মত পড়ালেখা না করার জন্য তখন এই  সমস্যা তৈরি হবে।

সময় তালিকা করার সময় কিছু বিষয় বিবেচনায় আনতে হয় যেমনঃ

১) দৈনিক করণীয় কাজ গুলাে নির্ধারণ করতে হবে গুরুত্ব অনুসারে কাজের অগ্রাধিকার দিতে হবে।

২) যৌথভাবে কাজ করতে হলে অন্যের সুবিধা-অসুবিধার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

৩) সময় তালিকায় কাজের সময় বিশ্রাম ও অবসর সময় রাখতে হবে।

৪) একটা কঠিন বা ভারী কাজের পর হালকা কাজ বা বিশ্রাম দিতে হবে।

 ২য় সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান

অষ্টম শ্রেণীর ২য় সপ্তাহের এসাইনমেন্ট ২৫ মার্চ ২০২১ তারিখে  প্রকাশ করা হয়েছে । ২য় সপ্তাহে দুটি বিষয়ের উপর নির্ধারিত কাজ জমা দিতে হবে । নিচে এসাইনমেন্টের প্রশ্ন  ও উত্তর দেওয়া হল :

Cover Page 1 (admissionwar.com) বিভিন্ন ডিজাইনের এসাইনমেন্ট কাভার পেইজ (এক্সক্লুসিভ)

  • ইংরেজী এসাইনমেন্ট

Lesson 4:  Suppose, you have a foreign friend who is very curious to know about the ethnic people of your country. Now, prepare a fact file on them. You can tell about their dress, food, culture, sports and pastimes in 200 words. Use narratives, images, pictures, tables, or information as needed.

উত্তর :

Our ethnic Most of these ethnic people living in Bangladesh have some common characteristics. The have their lifestyles. The majority of these people live in the Chittagong Hill Tracts. The other live in the regions of Mymonsingh, Rajshahi and Sylhet.

They live in forest areas in the hills and in rural areas. They are build their houses on bamboo or wooden platforms called ‘machano’. Rice is their staple food. They eat vegetables, maize and fish, Poultry and meat their kitchen utensils are bamboo, wooden and earthen pots which they make themselves.

Men wear lungis and women wear thamis or sarongs and angis, Women weave their own cloths, Hunting and fishing are their favorite pastimes. They are fond of music, dance, theater and fairs. Traditional musical_instruments such as bugles are made from buffalo horns, drums and bamboo flutes.

Wrestling is a popular sports for them. They do Thump cultivation for this work, they clear a piece of land in the forest, prepare it and sow seeds in its They are mostly farmers. By religion they are Hindus, Christians or Buddhists. They speak their own mother tongues. Some of them are the Chakmas, the Marmas, the Tippuras and the Moorangs. Who live in the Hill tracts. The sandals live in Rajshahi.

  • বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এসাইনমেন্ট

১৭৫৭ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত যে কোনাে ১০টি উল্লেখযােগ্য ঘটনার সময়কালসহ একটি পােস্টার তৈরি কর।
সংকেত: ১। সাল উল্লেখ ২। ঘটনার বর্ণনা ৩। উপস্থাপনায় বৈচিত্র্য

উত্তর :

পলাশীর যুদ্ধ (১৭৫৭ সাল)

পলাশীর যুদ্ধ ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন নওয়াব সিরাজউদ্দৌলা ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এর মধ্যে সংঘটিত এ যুদ্ধ আট ঘণ্টার মতাে স্থায়ী ছিল এবং প্রধান সেনাপতি মীরজাফর আলী খানের বিশ্বাসঘাতকতার দরুণ নওয়াব কোম্পানি কর্তৃক পরাজিত হন।এ যুদ্ধের রাজনৈতিক ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী ও ধ্বংসাত্মক এবং এ কারণে যদিও এটি ছােট খাট দাঙ্গার মতাে একটি ঘটনা ছিল, তবু এটিকে যুদ্ধ বলে বাড়িয়ে দেখানাে হয়। এর ফলে বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

দ্বৈত শাসন (১৭৬৫ সাল)

১৭৬৫ সালে লর্ড ক্লাইভ বাংলার নবাব থেকে দেওয়ানি সনদ প্রাপ্ত হলে যে শাসন প্রণালীর উদ্ভব হয়, তা ইতিহাসে দ্বৈত শাসন নামে। পরিচিত।মীর জাফরের মৃত্যুর পর লর্ড ক্লাইভ ১৭৬৫ সালে মােগল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলােমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি। লাভ করে।এ সময় কিছু শর্ত সাপেক্ষে মীরজাফরের পুত্র নাজিম উদ্দৌলা বাংলার সিংহাসনে বসানাে হয়।শর্ত মােতাবেক নাজিম-উদ-দৌলা তাঁর পিতা মীর জাফরের ন্যায় ইংরেজদের বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্য। করার সুযােগ দেবেন এবং দেশীয় বণিকদের অবাধ বাণিজ্যের সুবিধা। বাতিল করবেন। ১৭৭২ সালে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস কর্তৃক বাতিল হয়।

ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১৭৭০ সাল)

  • দুর্ভিক্ষ হল কোন এলাকার ব্যাপক খাদ্য ঘাটতি। সাধারনত ফসলহানি, যুদ্ধ, সরকারের নীতিগত ব্যর্থতা ইত্যাদি কারণে দুর্ভিক্ষ সংগঠিত হয়।
  • এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ, গবাদিপশুর মড়ক, পােকাড় আক্রমন ইত্যাদি কারণেও দুর্ভিক্ষ সংগঠিত হয়।
  • ১৭৭০ সালে বাংলাদেশে এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল।
  • সময়টি বাংলা ১১৭৬ সাল হওয়ায় এই দুর্ভিক্ষ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত হয়।
  • অতি বৃষ্টি ও বন্যার কারণে কৃষি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় সমগ্র দেশজুড়ে চরম অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেয়।
  • ত্রুটিপূর্ণ ভূমিরাজস্ব ব্যবস্থা ও খাদ্যবাজারে দালাল ফড়িয়া শ্রেনীর দৌরাত্মের ফলে অবস্থা আরাে শােচনীয় হয়ে পড়ে।

শ্রীরামপুরে মুদ্রণযন্ত্র স্থাপন (১৮২১ সাল)

বাংলার নবজাগরণের ক্ষেত্রে শ্রীরামপুরে প্রতিষ্ঠিত মুদ্রণযন্ত্রের ভূমিকা ছিল অনন্য।১৮২১ সালে শ্রীরামপুরে মুদ্রণযন্ত্র স্থাপন বাংলার মানুষের মনকে মুক্ত করা ও জাগিয়ে তােলার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মােচন করে।এতে বই-পুস্তক। ছেপে জ্ঞানচর্চাকে শিক্ষিত ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার পথ। সুগম হয়। এ সময় অনেকে বাংলা ভাষায় সংবাদপত্র প্রকাশ করে জনমত সৃষ্টিতে এগিয়ে আসেন।

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত (১৭৯৩ সাল)

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ১৭৯৩ সালে কর্নওয়ালিস প্রশাসন কর্তৃক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সরকার ও বাংলার ভূমি মালিকদের (সকল শ্রেণির জমিদার ও স্বতন্ত্র তালুকদারদের) মধ্যে সম্পাদিত একটি স্থায়ী চুক্তি।এর প্রবক্তা লর্ড কর্নওয়ালিস।এ চুক্তির আওতায় জমিদার ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় ভূসম্পত্তির নিরঙ্কুশ স্বত্বাধিকারী হন।জমির স্বত্বাধিকারী হওয়া ছাড়াও জমিদারগণ স্বত্বাধিকারের সুবিধার সাথে চিরস্থায়ীভাবে অপরিবর্তনীয় এক নির্ধারিত হারের রাজস্বে জমিদারিত্ব লাভ করেন।

সিপাহি বিদ্রোহ (১৮৫৭ সালের ১০ মে)

সিপাহি বিদ্রোহ বা সৈনিক বিদ্রোহ ১৮৫৭ সালের ১০ মে মিরাট শহরে শুরু হওয়া ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সেনাবাহিনীর সিপাহিদের বিরুদ্ধে একটি বিদ্রোহ।যার মধ্যে আলেম ওলামাদের অবদান অপরিসীম। ক্রমশ এই বিদ্রোহ গােটা উত্তর ও মধ্য ভারতে (অধুনা উত্তরপ্রদেশ, বিহার, উত্তর। মধ্যপ্রদেশ ও দিল্লি অঞ্চল ) ছড়িয়ে পড়েছিল।

বঙ্গীয় আইন সভা (১৮৬১ সাল)

১৮৬১ সাল থেকে শুরু করে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন প্রণয়ন পর্যন্ত শাসন সংস্কারের শেষ পর্যায় হিসেবে বঙ্গীয় আইন সভার আত্মপ্রকাশ। ১৯৩৫ সালের আইনে বলা হয় যে, ব্রিটিশ ভারতের সকল প্রদেশের সাংবিধানিক পরিষদ প্রাপ্ত বয়স্কদের দেয়া ভােটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত হবে। ১৯৩৭ সালের সাধারণ নির্বাচনের মধ্য দিয়েই বেঙ্গল। | লেজিসলেটিভ অ্যাসেমব্লির যাত্রা শুরু।

লাহাের প্রস্তাব (১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ)

লাহাের প্রস্তাব বা পাকিস্তান প্রস্তাব, যাকে পাকিস্তানের স্বাধানতার ঘােষণাও বলা হয়, তা হচ্ছে ভারতীয় উপমহাদেশে বসবাসকারী মুসলিমদের জন্য একটি পৃথক রাষ্ট্রের দাবী। জানিয়ে উত্থাপিত প্রস্তাবনা।সাবজেক্ট কমিটি এ প্রস্তাবটিতে আমূল সংশােধন আনয়নের পর ২৩ মার্চ সাধারণ অধিবেশনে মুসলিম লীগের পক্ষ হতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আবুল। কাশেম ফজলুল হক সেটি উপস্থাপন করেন এবং চৌধুরী খালিকুজ্জামান ও অন্যান্য মুসলিম নেতৃবৃন্দ তা সমর্থন করেন। মূল প্রস্তাবটি ছিল উর্দু ভাষায় এই সম্মেলনে ফজলুল হককে “শেরে বাংলা” উপাধি দেয়, হয়।বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিলাে লাহাের প্রস্তাবের মাঝে।

ভারত বিভাজন (১৯৪৭ সালের ১৫)

  • ভারত বিভাজন বা দেশভাগ হল ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক বিভাজন।
  • ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ ভারত ভেঙে পাকিস্তান অধিরাজ্য ও ভারত অধিরাজ্য নামে দুটি সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠন করা হয়
  • পাকিস্তান পরবর্তীকালে আবার দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ নামে দুটি রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর)

উপমহাদেশে ব্রিটিশদের শাসনতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি উল্লেখযােগ্য ঘটনা বঙ্গভঙ্গ।১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড জর্জ ন্যাথানিয়েল কার্জন শাসনকাজ পরিচালনার সুবিধার্থে তৎকালীন বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ নামে দুটি। নতুন প্রদেশে বিভক্ত করেন।

 

আরও পড়ুন : সকল শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর

শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্দেশনা

এ্যাসাইনমেন্ট এর রূপরেখার সর্বজন স্বীকৃত তেমন কোনো কাঠামো নেই। প্রতিটা প্রতিষ্ঠানেরই তাদের নিজস্ব কাঠামো বা রুপরেখা থাকতে পারে। যদি ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অ্যাসাইনমেন্টের জন্য নির্দিষ্ট কোনো রূপরেখা দেওয়া হয় তা অবশ্যই মেনে চলতে হবে। তবে এ্যাসাইনমেন্ট সাধারণভাবে যে বিষয়গুলো আপনার লিখতে হবে তা হলোঃ-

ভূমিকাঃ এখানে সমস্যার একটি সু-স্পষ্ট বর্ণনা থাকবে। Assignment-এ ব্যবহৃত শব্দ ও পদগুলোর ডেফিনেশন বা সংজ্ঞা থাকবে এবং সমস্যা বা অ্যাসাইনমেন্ট এর সীমাবদ্ধতা এখানে লিখতে হবে। তাৎপর্য ও পটভূমি এর মধ্যেই থাকবে। এখানে আরোও কিছু থাকতে পারে। যেমনঃ আনুষঙ্গিক বই পত্রের পর্যালোচনা থাকতে পারে আবার সমস্যা বা বিষয়টির পরিধি বর্ণিত হতে পারে। মূল ব্যাপার হচ্ছে, ভূমিকায় পুরো অ্যাসাইনমেন্ট সম্পর্কিত মোটামুটি একটা ধারনা থাকবে।

মূল অংশঃ এই অংশে যুক্তিতর্কের মাধ্যমে বিষয়টির উত্তরণ ঘটাতে হবে। ভূমিকায় বর্ণিত সমস্যাটির প্রগতিশীল সমাধানের জন্য এখানে বিস্তারিত লেখা হয়। তবে পুরো Assignment-এর মূল অংশ এখানে উপস্থাপিত হবে। তবে এই অংশটিকে সচল রাখার জন্য অন্যকোন অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ের মধ্যে হারিয়ে গেলে চলবে না।

উপসংহারঃ এখানে পর্যবেক্ষণ, গবেষণা নির্বাচিত বিষয়টির রেজাল্ট উপস্থাপন করবে। এতে সমস্যার সমাধান এবং সমস্যার সমাধানের পথনির্দেশ থাকতে পারে আবার সাথে সাথে সুপারিশও থাকতে পারে।

স্বীকারোক্তিঃ এখানে উপস্থাপিত সকল তথ্যই দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোক দ্বারা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা। যেহেতু কোন মানুষই ভুলের ঊর্দ্ধে নয় সেহেতু আমাদেরও কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকতে পারে।সে সকল ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী এবং একথাও উল্লেখ থাকে যে এখান থেকে প্রাপ্ত কোন ভুল তথ্যের জন আমরা কোনভাবেই দায়ী নই এবং আপনার নিকট দৃশ্যমান ভুলটি আমাদেরকে নিম্নোক্ত মেইল / পেজ -এর মাধ্যমে অবহিত করার অনুরোধ জানাচ্ছি।

ই-মেইলঃ admin@admissionwar.com অথবা এইখানে ক্লিক করুন।

admissionwar-fb-pageaw-fb-group

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back to top button