বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি

ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২০-২১

ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি নোটিশ ২০২০-২১। ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২১ এখনও প্রকাশিত হয়নি। এই বছর, ২০২০-২১ সেশনে, বাংলাদেশের সমস্ত ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় একটি সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতিতে তাদের ভর্তি পরীক্ষা নেবে। এই পদ্ধতিকে “সমন্বিত ভর্তি পরিক্ষা পদ্ধতি” বলা হয়। এই সমন্বিত ভর্তি পরিক্ষা পদ্ধতিতে বাংলাদেশের ৫ টি ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরিক্ষা একসাথে নেওয়া হতে পারে এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২০-২১ ও একসাথে প্রকাশিত হতে পারে ।

ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার তারিখ প্রকাশিত হয়েছে।

ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২০-২১

যেহেতু ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞপ্তিটি এখনও ২০২০-২১ সেশনের জন্য প্রকাশিত হয়নি, তাহলে আসুন বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট সিট সংখ্যা, বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বিভিন্ন, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কি কি সাবজেক্ট এবং কত সিট আছে এসব বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক। তবে এই বছর যেহেতু ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রথম বারের মত সমন্বিত ভর্তি পরিক্ষা পদ্ধতি ভর্তি পরিক্ষা নেওয়া হচ্ছে, তাই কিভাবে নেওয়া হবে এই বিষয় এখন পর্যন্ত ভাল ধারণা করা যাচ্ছে না যে, ভর্তি পরিক্ষায় অংশ গ্রহনের জন্য যোগ্যতা কি কি থাকতে হবে, নাম্বারিং সিস্টেম কেমন হবে বা সিট প্লানই বা কেমন হবে।

গুরুত্বপূর্ণ তারিখ এবং সময়সূচী
  • আবেদন শুরু :
  • আবেদন শেষ : 
  • আবেদন ফি:
  • পরীক্ষার তারিখ : ১২ জুন

এক নজরে ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিট সংখ্যা

২০১৯-১৯ সেশনের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন সংখ্যা,

নং বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম সিট সংখ্যা
বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)  ১০৬০
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)  ৮৯০
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট)  ৬৮৬
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)  ১০৬৫
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)  ১২৩৫

বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ

বাংলাদেশের ৫ টি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) সন্বিত ভর্তি ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। একটি ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি ২০২০-২১ প্রকাশিত হবে এবং একই দিন একই সময়সূচীতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

১.বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)

Bangladesh University of Engineering and Technology - BUET

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার জন্য সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি। প্রায় ৯,২৩৪ শিক্ষার্থী এই প্রতিষ্ঠানের আর্কিটেকচার, ইঞ্জিনিয়ারিং, পরিকল্পনা এবং বিজ্ঞানে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পড়াশোনা করছে। বর্তমানে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৫ টি অনুষদের অধীনে ১৮ টি বিভাগ রয়েছে এবং এর ৬ টি ইনস্টিটিউট রয়েছে।

আজ অবধি, বুয়েট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং আর্কিটেকচারের বিভিন্ন শাখায় প্রায় ৩০,৬৮৬ গ্র্যাজুয়েট তৈরি করেছে। বুয়েট স্টান্ডার্ড মানের গ্রাজুয়েট প্রোগ্রামের জন্য বিশ্বের সর্বত্রই খ্যাতি অর্জন করেছে। বুয়েট থেকে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় তাদের পেশায় দক্ষতা দেখাতে পেরেছে। বুয়েট ভারত, জর্ডান, নেপাল, ইরান, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, ফিলিস্তান এবং পাকিস্তানের মতো দেশগুলির শিক্ষার্থীদের আকর্ষন করতে সক্ষম হয়েছে।

এক নজরে বুয়েট
  • আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কঃ ২,৯৮৫ (ওয়ার্ল্ড র‍্যাঙ্ক ২০২০)
  • ভর্তি/বছর (২০১৯): ১০৬০ (স্নাতক)
  • মোট শিক্ষার্থীঃ ৯,২৩৪
  • ডিপার্ট্মেন্ট সংখ্যাঃ ১৮
  • প্রতিষ্ঠিতঃ ১৯৭১
  • ঠিকানাঃ ঢাকা, বাংলাদেশ
  • ক্যাম্পাস এরিয়াঃ ৮৩.৯ একর
  • এডমিশন সাইট লিঙ্কঃ

ডিপার্ট্মেন্ট অনুসারে সিট সংখ্যা,

ডিপার্টেমেন্ট এর নাম  সিট সংখ্যা
কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ৬০
ম্যাটেরিয়াল এন্ড মেটালার্জিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং ৫০
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ১৯৫
ওয়াটার রিসোর্সেস ইঞ্জিনিয়ারিং ৩০
মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ১৮০
নাভাল আর্কিটেকচার এন্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং ৫৫
ইন্ডাস্টিরিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং ৩০
ইলেক্ট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং ১৯৫
কম্পিউটার সায়েন্ড এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ১২০
বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ৩০
আর্কিটেকচার ৫৫
আরবান এন্ড রিজিওনাল প্লানিং ৩০
মোট সিট সংখ্যা ১০৬০ সিট

২.চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)

Chittagong University of Engineering and Technology (CUET) | Trade Bangla

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি চট্টগ্রাম – রাজধানী সড়কের পাশেই অবস্থিত, চট্টগ্রাম শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে যেটি মূল সমুদ্র-বন্দর এবং বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ১৭১ একর জমিতে দুর্দান্ত প্রাকৃতির মধ্যে অবস্থিত।

বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৮৬ সালে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে আপ্লাইড সায়েন্স এবং প্রকৌশল, গবেষণা, উচ্চশিক্ষা এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। এর স্নাতকগণ তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে উচ্চ পদে কর্মরত রয়েছেন।

এক নজরে চুয়েট
  • আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কঃ ৭,৭৬১ (ওয়ার্ল্ড র‍্যাঙ্ক ২০২০)
  • ভর্তি/বছর (২০১৯): ৮৯০ (স্নাতক)
  • মোট শিক্ষার্থীঃ ৪৫০০+
  • ডিপার্ট্মেন্ট সংখ্যাঃ ১৫
  • প্রতিষ্ঠিতঃ ১৯৬৮
  • ঠিকানাঃ চট্টগ্রাম ক্যাপিটাল রোড, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
  • ক্যাম্পাস এরিয়াঃ ১৭১ একর
  • এডমিশন সাইট লিঙ্কঃ

ডিপার্ট্মেন্ট অনুসারে সিট সংখ্যা,

ডিপার্টেমেন্ট এর নাম  সিট সংখ্যা
ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং ১৮০
মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ১৮০
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ১৩০
কম্পিউটার সায়েন্ড এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ১৩০
ইলেকট্রনিকস এন্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ৬০
আর্কিটেকচার ৩০
বায়োমেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ৩০
ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ৩০
মেকানিকস এন্ড ইন্ডাস্টিরিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং ৩০
পেট্রোলিয়াম এন্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং ৩০
আরবান এন্ড রিজিওনাল ইঞ্জিনিয়ারিং ৩০
ওয়াটার রিসোর্সেস ইঞ্জিনিয়ারিং ৩০
মোট সিট সংখ্যা ৮৯০ সিট

 

 ৩.খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)

Khulna University of Engineering & Technology (KUET) | Trade Bangla

প্রকৌশল ও প্রযুক্তিগত শিক্ষা ও গবেষণায় বিশেষ গুরুত্বারোপ করে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থান করে নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রধান শাখাগুলির মধ্যে খুব উচ্চ মানের শিক্ষামূলক, গবেষণা এবং উন্নয়নমূলক প্রোগ্রাম সরবরাহের জন্য খ্যাতিমান।

কুয়েট ১৯৬৭ সালে খুলনা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছ থেকে বিশেষ দিকনির্দেশনার পরে, এটি দীর্ঘ দীর্ঘকালীন যাত্রা শুরু করে ১৯৭৪ সালের ৩ জুন থেকে। পরে উচ্চতর একাডেমিক এবং গবেষণা ক্ষমতা এবং পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য এটি ১৯৮৬ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি নামে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়। দীর্ঘ সময় পরে প্রতিষ্টানটি ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বরে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) হিসাবে উন্নীত হয় এবং এর নামকরণ হয়।

এক নজরে কুয়েট
  • আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কঃ ৭,৬১৩ (ওয়ার্ল্ড র‍্যাঙ্ক ২০২০)
  • ভর্তি/বছর (২০১৯): ১০৬৫ (স্নাতক)
  • মোট শিক্ষার্থীঃ ৫,২৪০
  • ডিপার্ট্মেন্ট সংখ্যাঃ ২০
  • প্রতিষ্ঠিতঃ ১৯৬৭
  • ঠিকানাঃ খুলনা বাংলাদেশ
  • ক্যাম্পাস এরিয়াঃ ১০১ একর
  • এডমিশন সাইট লিঙ্কঃ

ডিপার্ট্মেন্ট অনুসারে সিট সংখ্যা,

ডিপার্টেমেন্ট এর নাম সিট সংখ্যা
বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কন্সট্রাকশন ম্যানেজমেন্ট ৬০
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ১২০
ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং ১২০
মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ১২০
কম্পিউটার সায়েন্ড এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ১২০
ইলেকট্রনিকস এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ৬০
ইন্ডাস্টিরিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড ম্যানেজমেন্ট ৬০
বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ৩০
ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ৬০
আর্কিটেকচার ৪০
আরবান এন্ড রিজিওনাল প্লানিং ৬০
লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং ৬০
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ৬০
এনার্জি সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ৩০
কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ৩০
মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং ৩০
মোট সিট সংখ্যা ১০৬৫ সিট

৪.রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)

Rajshahi University of Engineering & Technology 2020

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রাচীনতম মর্যাদাপূর্ণ পাবলিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়। এটি প্রযুক্তি ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে মানসম্পন্ন শিক্ষা এবং গবেষণা ডিগ্রী সরবরাহ করে। বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৯৬৪ সালে রাজশাহীর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হিসাবে ৩ টি বিভাগ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিকস নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ব্যাচেলর ডিগ্রি প্রোগ্রাম এবং প্রতি বছর ৩ টি বিভাগে সীমিত সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি দিয়ে শুরু হয়েছিল। পরে এটি ১৯৮৬ সালে প্রযুক্তিগত শিক্ষাকে আরও শক্তিশালী করার জন্য বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে রূপান্তরিত হয়েছিল। প্রযুক্তিগত শিক্ষা ও গবেষণাকে জোরদার করার জন্য পরে এটি ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বরে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) হিসাবে উন্নীত ও নামকরণ করা হয়েছে।

এক নজরে রুয়েট
  • আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কঃ ৮,৯৯৪ (ওয়ার্ল্ড র‍্যাঙ্ক ২০২০)
  • ভর্তি/বছর (২০১৯): ১২৩৫ (স্নাতক)
  • মোট শিক্ষার্থীঃ ৫,৯৫৪
  • ডিপার্ট্মেন্ট সংখ্যাঃ ১৮
  • প্রতিষ্ঠিতঃ ১৯৬৪
  • ঠিকানাঃ রাজশাহী, বাংলাদেশ
  • ক্যাম্পাস এরিয়াঃ ১৫২ একর
  • এডমিশন সাইট লিঙ্কঃ

ডিপার্ট্মেন্ট অনুসারে সিট সংখ্যা,

ডিপার্টেমেন্ট এর নাম  সিট সংখ্যা
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ১৮০
ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং ১৮০
মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ১৮০
কম্পিউটার সায়েন্ড এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ১৮০
ইলেকট্রনিকস এন্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ৬০
ইন্ডাস্টিরিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং ৬০
গ্লাস এন্ড সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং ৬০
আরবান এন্ড রিজিওনাল প্লানিং ৬০
মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং ৬০
ইলেকট্রিকাল এন্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং ৬০
কেমিক্যাল এন্ড ফুড প্রোসেস ইঞ্জিনিয়ারিং ৩০
বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কন্সট্রাকশন ম্যানেজমেন্ট ৩০
ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ৬০
আর্কিটেকচার ৩০
সংরক্ষিত সিট
মোট সিট সংখ্যা ১২৩৫ সিট

৫.ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট)

File:Dhaka University of Engineering and Technology 10.jpg - Wikimedia Commons

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) বাংলাদেশের একটি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদ হিসেবে ১৯৮০ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়। দেশে ক্রমবর্ধমান আধুনিক প্রকৌশল বিদ্যার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে এই বিশ্ববিদ্যালয় পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল এবং তড়িৎ কৌশল অনুষদের অধীনে ৮ টি বিভিন্ন বিভাগে ৪ বছর মেয়াদী ব্যাচেলর ডিগ্রী প্রদান করে আসছে।

মাত্র ১২০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ১৯৮০ সালে ঢাকার তেজগাঁও শিল্প এলাকায় প্রতিষ্ঠানটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হিসেবে যাত্রা শুরু করে। তখন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিকাল এবং ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদী কোর্স সরবরাহ করতো। পরে ১৯৮৩ সালে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে এর নাম পরিবর্তন করে ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নামে গাজীপুরের বর্তমান ক্যাম্পাসে স্থানান্তর করা হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সম্মুখীন হওয়া বিভিন্ন সমস্যা মোকাবেলায় ১৯৮৬ সালে সরকারের ‘অর্ডিন্যান্সের’ মাধ্যমে ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি, ঢাকাতে রুপান্তরিত করা হয়। সর্বশেষ ২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) নামে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়।

এক নজরে ডুয়েট
  • আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কঃ ৯,৪৮১ (ওয়ার্ল্ড র‍্যাঙ্ক ২০২০)
  • ভর্তি/বছর (২০১৯): ৬৮৬ (স্নাতক)
  • মোট শিক্ষার্থীঃ ২৭০০+
  • ডিপার্ট্মেন্ট সংখ্যাঃ ১৪
  • প্রতিষ্ঠিতঃ ১৯৮০
  • ঠিকানাঃ গাজীপুর, বাংলাদেশ
  • ক্যাম্পাস এরিয়াঃ ২০.২৯ একর
  • এডমিশন সাইট লিঙ্কঃ

ডিপার্ট্মেন্ট অনুসারে সিট সংখ্যা,

মোট সিট সংখ্যা ৬৮৬ সিট

 

স্বীকারোক্তিঃএখানে উপস্থাপিত সকল তথ্যই দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোক দ্বারা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা। যেহেতু কোন মানুষই ভুলের ঊর্দ্ধে নয় সেহেতু আমাদেরও কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকতে পারে।সে সকল ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী এবং একথাও উল্লেখ থাকে যে এখান থেকে প্রাপ্ত কোন ভুল তথ্যের জন আমরা কোনভাবেই দায়ী নই এবং আপনার নিকট দৃশ্যমান ভুলটি আমাদেরকে নিম্নোক্ত মেইল / পেজ -এর মাধ্যমে অবহিত করার অনুরোধ জানাচ্ছি।

ই-মেইলঃ admin@admissionwar.com অথবা এইখানে ক্লিক করুন।

admissionwar-fb-pageaw-fb-group

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button