এইচএসসি এসাইনমেন্ট ২০২১

এইচএসসি হিসাববিজ্ঞান এসাইনমেন্ট নমুনা সমাধান ২০২১

২০২১ সালের এইচ এস সি হিসাববিজ্ঞান এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও নমুনা উত্তর । এইচএসসি হিসাব বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট সমাধান আমাদের ওয়েবসাইটে যুক্ত করা হয়েছে । পরীক্ষার্থীদের জন্য পূনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচির আলােকে মোট পনের সপ্তাহব্যাপী এসাইনমেন্ট প্রকাশ করা হবে । নিচে সকল সপ্তাহের এইচএসসি অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান দেওয়া হবে ।

এইচএসসি হিসাববিজ্ঞান এসাইনমেন্ট নমুনা সমাধান ২০২১

এসাইনমেন্ট নির্দিষ্ট তারিখে মধ্যে সুবিধাজনক সময়ে সরকার ঘােষিত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক শিক্ষার্থীরা তাদের অ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জমা (সরাসরি/অনলাইনে) প্রদান করবে। প্রত্যেক ধাপের এসাইনমেন্ট জমা নেওয়ার পর পরবর্তী ধাপের অ্যাসাইনমেন্ট যথা নিয়মে প্রকাশ করা হবে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, নির্দিষ্ট কভার পেইজ ব্যতীত অন্য কোন কভার পেইজ ব্যবহার করা যাবে না । কাভার পৃষ্ঠার উপরের অংশ ইংরেজিতে নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে এবং নির্ধারিত অংশ ব্যতীত কাভার পৃষ্ঠার অন্য কোনাে স্থানে বা অপর পৃষ্ঠায় কোনাে কিছু লেখা যাবে না ।

এইচ এস সি জীববিজ্ঞান এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও সমাধান

হিসাববিজ্ঞান এসাইনমেন্ট নং ২

এইচএসসি হিসাববিজ্ঞান ২য় এসাইনমেন্ট দ্বিতীয় পত্র বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায় – অংশীদারি ব্যবসায় হিসাব থেকে নেওয়া হয়েছে ।

প্রশ্ন : অংশীদারি ব্যবসায় ও এর হিসাব প্রক্রিয়া –

আবুল, আবদুল ও আসাদুল একটি অংশীদারি কারবারের তিনজন অংশীদার। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি আবুল ৩,০০,০০০ টাকা, আবদুল ২,৫০,০০০ টাকা এবং আসাদুল ২,০০,০০০ টাকা মূলধন স্বরূপ সরবরাহ করেন। আবদুল প্রতি মাসে ৫০০ টাকা নগদ উত্তোলন করেন এবং আসাদুল বছরের মাঝামাঝি ২,০০০ টাকার পণ্য উত্তোলন করেন। আবুল কারবার পরিচালনা করেন এবং এ কারণে তিনি প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা বেতন পাবেন।

আর্থিক স্বল্পতার কারণে ১ এপ্রিল আসাদুল ১০,০০০ টাকা ঋণ প্রদান করেন এবং আবুল ১ জুন ২০,০০০ টাকা । অতিরিক্ত মূলধন সরবরাহ করেন। আংশীদারি চুক্তি অনুযায়ী উত্তোলনের উপর বার্ষিক ১০% সুদ ধার্য করতে হবে। আবুল ব্যবসায়ে তার সার্বক্ষণিক সহায়তা করার জন্য বন্টনযােগ্য লাভের উপর কমিশন ধার্য করার পরবর্তী লাভের উপর ৫% হারে। কমিশন পাবেন। আবুলের বেতন ডেবিট করার পর কিন্তু অন্যান্য সমন্বয় সাধন করার পূর্বে ব্যবসায়ের নিট লাভ ১,১০,০০০ টাকায় উপনীত হয়।

image

নমুনা উত্তর

ক নং প্রশ্নের উত্তর

সহায়ক তথ্যের ভিত্তিতে চুক্তির অবর্তমানে অংশীদারি ব্যবসায়ের অমীমাংসিত বিষয়সমূহ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হলঃ

  •  লাভ-লােকসান অনুপাতঃ উদ্দিপকে লাভলােকসান কি ভাবে বন্টিত হবে তার অনুপাত উল্লেখ করা হয়নি। আমরা জানি চুক্তিতে উল্লেখ না থাকলে লাভ-লােকসান সমহারে বণ্টন করতে হয়।
  •  ঋণের সুদের হারঃ উদ্দিপকে ঋণের সুদের হার উল্লেখ নেই। ঋণের উপর সুদের সুনির্দিষ্ট |হার উল্লেখ না থাকলে ১৯৩২ সালের অংশীদারি | আইনের ৫ চুক্তির অবর্তমানে প্রযােজ্য বিধান” | অনুযায়ী ৬% হারে সুদ ধার্য করতে হবে।
  •  মূলধনের সুদঃ উদ্দিপকে মূলধনের উপর কত মাসের সুদ ধরতে হবে তা উল্লেখ নেই। মূলধনের উপর সুদ প্রদানের সুনির্দিষ্ট হার উল্লেখ না থাকলে অংশীদারগণ তারদের বিনিয়ােজিত মূলধনের উপর সুদ পাবে না।
  •  উত্তোলনের সুদঃ উদ্দিপকে উত্তোলনের উপর কত মাসের সুদ ধরতে হবে বা কোন তারখে উত্তোলন করেছে। তা উল্লেখ নেই। উত্তোলনের সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ না থাকলে অংশীদার কর্তৃক মােট উত্তোলিত টাকার উপর গড় সময়ের সুদ অর্থাৎ ৬ মাসের সুদ নির্ণয় করতে হয়। কিন্তু হিসাবকাল ৬ মাসের হলে ৩ মাসের সুদ ধরতে হবে।

খ নং প্রশ্নের উত্তর

আবুল, আবদুল ও আসাদুল
লাভ-লােকসান বণ্টন হিসাব

২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরের জন্য।

image

উপরোক্ত হিসাবের ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা -১ :  ঋণ, ঋণ হিসাবে দেখানাে হবে, তাই চলতি ও মূলধন হিসাবে দেখানাে হবে না।

ব্যাখ্যা -২ :  ঋণের উপর চুক্তির অবর্তমানে ৬% হারে সুদ ধরা হয়েছে।

ঋণের সুদ নির্ণয়ঃ
আসাদুলের ঋণের সুদ = ১০,০০০ x ৬% x image = ৪৫০ টাকা

ব্যাখ্যা -৩ : আবুলের কমিশন নির্ণয়ঃ ১,১২,৩০০ – ৪৫০ = ১,১১,৮৫০ টাকা

যেহেতু বণ্টনযােগ্য লাভের উপর কমিশন ধার্য করার পরবর্তী লাভের উপর ৫% হারে কমিশন ধরতে বলা হয়েছে।
image= ৫,৩২৬.১৯০ টাকা বা ৫৩২৬ টাকা।

ব্যাখ্যা -৪ : উত্তোলনের সুদ নির্ণয়ঃ

আবদুলের উত্তোলনের সুদ = ৫০০ x ১২ x ১০% x image = ৩০০ টাকা।

ব্যাখ্যা -৫ : চুক্তিতে উল্লেখ না থাকায় লাভ-লােকসান সমহারে বণ্টন করা হয়েছে।

মুনাফা বণ্টনঃ

আবুলের মুনাফা = ১,০৬,৫২৪ image ৩ = ৩৫,৫০৮ টাকা

আবদুলের মুনাফা = ১,০৬,৫২৪ image ৩ = ৩৫,৫০৮ টাকা

আসাদুলের মুনাফা = ১,০৬,৫২৪ image ৩ = ৩৫,৫০৮ টাকা।

গ নং প্রশ্নের উত্তর

আসাদুল ও আবদুলের

চলতি হিসাব

image

 

ঘ নং প্রশ্নের উত্তর

স্থিতিশীল মূলধন পদ্ধতিতে আবুল ও আসাদুলের মূলধন হিসাব প্রস্তুতকরণ।

 স্থিতিশীল মূলধন পদ্ধতি – যে পদ্ধতিতে অংশীদারদের মূলধন হিসাব প্রস্তুত করলে অংশীদারদের মূলধনের পরিমাণের কোন হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে না তাকে স্থিতিশীল মূলধন পদ্ধতি বলা হয়। অর্থাৎ এ পদ্ধতিতে প্রারম্ভিক মূলধনের পরিমাণ ও সমাপনী মূলধনের পরিমাণ একই থাকে যদি অতিরিক্ত মূলধন না থাকে। এ পদ্ধতিতে ব্যবসায়ের সাথে অংশীদারদের যাবতীয় দেনা-পাওনা প্রারম্ভিক মূলধনের সাথে সমন্বয় করা হয় না বিধায় প্রারম্ভিক মূলধনের পরিমাণ ও সমাপনী মূলধনের একই থাকে।

আসাদুল ও আবদুলের

 মূলধন হিসাব ( স্থিতিশীল মূলধন পদ্ধতি)

image

হিসাবের ব্যাখ্যা

  • আবুল, আবদুল ও আসাদুল একটি অংশীদারি কারবারের তিনজন অংশীদার। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি আবুল ৩,০০,০০০ টাকা, আবদুল ২,৫০,০০০ টাকা এবং আসাদুল ২,০০,০০০ টাকা মূলধন  স্বরূপ সরবরাহ করেন।
  • আবুল ১ জুন ২০,০০০ টাকা অতিরিক্ত মূলধন সরবরাহ করেন।

ঙ নং প্রশ্নের উত্তর

 পরিবর্তনশীল মূলধন পদ্ধতিতে আবুল ও আবদুলের মূলধন হিসাব প্রস্তুতকরণ।

পরিবর্তন মূলধন পদ্ধতি – যে পদ্ধতিতে মূলধন হিসাব প্রস্তুত করলে হিসাবকালের শুরুতে অংশীদারদের মূলধনের পরিমাণ এক রকম এবং হিসাবকাল শেষে মূলধনের পরিমাণ আরেক রকম হয় ঐ পদ্ধতিকে পরিবর্তনশীল মূলধন পদ্ধতি বলা হয়। অর্থাৎ বছরের শুরুতে যে পরিমাণ মূলধন ছিল, বছরের শেষে এসে মূলধনের পরিমাণ পরিবর্তন হয়ে যায়। প্রারম্ভিক মূলধনের সাথে অংশীদারদের দেনা-পাওনা সমন্বয় করলে সমাপনী মুলধনে পরিবর্তন আসে বলেই এই প্রক্রিয়াকে পরিবর্তনশীল মূলধন বলা হয়।

আবুল ও আবদুলের

পরিবর্তনশীল মূলধন হিসাব

image


২০২১ সালের এইচএসসির অন্যান্য বিষয়ের এসাইনমেন্ট নমুনা সমাধান দেখুন এখান থেকে

প্রিয় ভিজিটর, এখানে উপস্থাপিত সকল তথ্য উপাত্ত অভিজ্ঞ লোক দ্বারা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহিত । উল্লেখিত কোন তথ্যের ভুল যদি আপনার নিকট দৃশ্যমান হয় তবে অতিসত্ত্বর তা আমাদের ইমেইলের ([email protected]) মাধ্যমে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করছি।

��তামত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back to top button
error: কন্টেন্ট সংরক্ষিত !!