এ্যাসাইনমেন্ট

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১ । (৬ষ্ঠ সপ্তাহ)

সকল সপ্তাহের ষষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১ | ৬ষ্ঠ শ্রেণী এসাইনমেন্ট সমাধান মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাওশি) এর ওয়েবসাইট dshe.gov.bd -এ প্রকাশিত করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার মত উপযুক্ত পরিবেশ তৈরী না হওয়ার কারণে এখনও সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের শিখন প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে গত বছরের ন্যায় ২০২১ শিক্ষাবর্ষে ধারাবাহিকভাবে এ্যাসাইনমেন্ট/ নির্ধারিত কাজের মাধ্যমে মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে। চলুন, ষষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানা যাক।

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

করোনা অতিমারীর কারণে গত ১৮ মার্চ ২০২০ তারিখ থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এখন পর্যন্ত উপযুক্ত পরিবেশ তৈরী না হওয়ার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনও খোলা সম্ভব হয়নি। এ কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের শিখন প্রক্রিয়া যেন ব্যহত না হয় তাই গত বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের ন্যায় এ বছরও ৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিকভাবে এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে।

এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ

ষষ্ঠ শ্রেণীর এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি সপ্তাহে ২-৩টি বিষয়ের উপর এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন বা নির্দিষ্ট কাজ দেওয়া হবে। এ্যাসাইনমেন্ট শেষ করে জমা দেওয়া পর পরবর্তী সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন বা নির্ধারিত কাজ নিতে হবে। এভাবে ষষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করা হবে।

Cover Page 1 (admissionwar.com)
এসাইনমেন্ট কভার পেইজ ডিজাইন ( Exclusive)

৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর

ষষ্ঠ শ্রেণির ৬ষ্ঠ সপ্তাহের নির্ধারিত কাজ প্রকাশ করা হয়েছে । এই সপ্তাহে ইংরেজী ও কৃষি শিক্ষা বা গার্হস্থ্য বিজ্ঞান এ দুটি বিষয়ের উপর এসাইনমেন্ট দেওয়া হয়েছে । নিচে প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হল –

ইংরেজী এসাইনমেন্ট সমাধান 

Think of a situation when you did something brilliant and somebody congratulated you. Maybe you played or sang well or cooked something for your family or had a success somewhere. Now write about that experience.

In your writing, mention the following things.
1. What happened? 2. When it happened? 3. Who congratulated you? 4. How he/she congratulated (e.g.
what language was used) ? 5. How did you feel it?

Or Think of an unhappy situation when you were upset but somebody helped you overcome your bad time. In your writing, mention the following things:
1. What was the occurrence? 2. How did you feel? 3. Who consoled you? 4. What language he/she used? 5. How did he/she help you to overcome that situation?

আরও পড়ুন: ৬ষ্ঠ শ্রেণির বই পিডিএফ ডাউনলোড

উত্তর:

কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রিনা বেগম ২০২০ সালে নিকলী উপজেলায় অনুষ্ঠিত ‘কৃষি মেলা’ দেখতে যান। তিনি মেলায় প্রদর্শিত কৃষি জাত পণ্য, বিভিন্ন ফসলের নানা জাতের চারা ও গাছের উন্নত ফলন। দেখে কৃষি কাজের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে নিজের পৈত্রিক জমিতে কৃষি কার্যক্রম পরিচালনা করতে আগ্রহী হন। কৃষি কার্যক্রম পরিচালনা করতে রিনা বেগম অভিজ্ঞ কৃষক, কৃষি মেলা, কৃষি শিক্ষা, কৃষি গবেষণা, কৃষি তথ্য ও সেবা প্রাপ্তির উৎসগুলাে কীভাবে কাজে লাগাবেন?

উত্তর :

১। রীনা বেগম কৃষি মেলায় কীকীকৃষিজাত পণ্য দেখতে পেয়েছিলেন?

রীনা বেগম ২০২০ সালে নিকলী উপজেলায় অনুষ্ঠিত “কৃষি মেলা” যেসকল পণ্য দেখতে পেয়েছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলাে বিভিন্ন প্রকার ফল যেমন- আম, কাঠাল, জাম, লিচু, ডাব এছাড়া তিনি প্রান্তিক পর্যায়ে চাষীদের উৎপাদিত বিভিন্ন প্রকাশ সবজি যেমন- চাল কুমড়া, মিষ্টি কুমড়া, বেগুন, শশা, আলু, ওল কচু, করােলা, ঢেড়স ইত্যাদি কৃষিজাত পণ্য রীনা বেগম উক্ত কৃষি মেলায় দেখতে পেয়েছিলেন।

২। তার কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য কাদের নিকট থেকে প্রয়ােজনীয় তথ্য ও সেবা পেতে পারেন?

রীনা বেগম ২০২০ সালের ‘কৃষি মেলা থেকে কৃষি জাত পণ্য, বিভিন্ন ফসলের নানা জাতের চারা ও গাছের উন্নত ফলন দেখে কৃষি কাজের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে নিজের পৈত্রিক জমিতে কৃষি কার্যক্রম পরিচালনা করতে আগ্রহী হন। তার এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য যাদের নিকট থেকে প্রয়ােজনীয় তথ্য ও সেবা পেতে পারেন তা নিচে আলােচনা করা হলােঃ

 অভিজ্ঞ কৃষকঃ রীনা বেগম তার কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য এলাকার অভিজ্ঞ কৃষকদের নিকট থেকে প্রয়ােজনীয় তথ্য ও সেবা নিতে পারেন। কেননা অভিজ্ঞ কৃষকরা তাদের বহু দিনের কৃষিকাজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে প্রয়ােজনীয় তথ্য ও সেবা প্রদান করতে পারে। কেননা এভাবেই তারা তাদের কৃষিকাজের অতীত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগায়।

 উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাঃ রীনা বেগম তার কৃষি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্থানীয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার নিকট থেকে প্রয়ােজনীয় তথ্য ও সেবা পেতে পারেন। উপজেলা কৃষি উন্নয়ন কর্মকর্তাগণ সব সময় প্রান্তিক কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নের জন্য সর্বদা চেষ্টা করে থাকেন। তাই তাদের নিকট থেকে তথ্য ও সেবা পাওয়া যায় এবং সেই তথ্য ও সেবাগুলাে অবশ্যই বিজ্ঞানসম্মত হয়ে থাকে।

 উঠান বৈঠকঃ কৃষি সম্পর্কিত বিন্নি উঠান বৈঠকের মাধ্যমে কৃষকদের কৃষি সম্পর্কে বিভিন্ন প্রকার প্রয়ােজনীয় তথ্য প্রদান করা হয়ে থাকে। এসব বৈঠকে কিভাবে ভালাে ফসল পাওয়া যায়, কিভাবে উন্নত জাতের চারা উদ্ভাবন করা হয়, এছাড়া ফসলের যত্ন কিভাবে নিতে হয় এসকল বিষয় নিয়ে আলােচনা করা হয়। ফলে রীনা বেগম উঠান বৈঠকের মাধ্যমে তার কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য প্রয়ােজনীয় তথ্য ও সেবা পেতে পারেন।

কৃষি উপসহকারী থেকে তথ্যঃ উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিভিন্ন গ্রামে বা ইউনিয়নে যে সকল কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তাগণ দায়িত্বে থাকেন তাদের মাধ্যমে অর্থাৎ কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তার মাধ্যমে রীনা বেগম তার কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য প্রয়ােজনীয় তথ্য ও সেবা পেতে পারেন।

৩। কৃষি বিষয়ে শিক্ষা গ্রহণ ও গবেষণা করতে কোন কোন প্রতিষ্ঠান ভূমিকা রাখতে পারে? 

কৃষি বিষয়ে শিক্ষা গ্রহণ ও গবেষনা করতে যে সকল প্রতিষ্ঠান ভূমিকা রাখে সেগুলাে হলাে-

  • বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, ঢাকা।
  • বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর
  • বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর
  • বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইন্সটিটিউট, ঢাকা
  • বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, ময়মনসিংহ
  • বাংলাদেশ সুপারগ্রুপ (ইক্ষু) গবেষণা ইন্সটিটিউট, ইশ্বরদী,পাবনা
  • মৃত্তিকা সম্পদ ইন্সটিটিউট, ঢাকা
  • বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট, ময়মনসিংহ
  • বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট, সাভার, ঢাকা
  • বাংলাদেশ বন গবেষণা ইন্সটিটিউট, চট্টগ্রাম
  • বাংলাদেশ চা গবেষণা ইন্সটিটিউট, মৌলভীবাজার
  • বাংলাদেশ রেশম গবেষণা প্রশিক্ষণ ও ইন্সটিটিউটর, রাজশাহী

৪। একজন অভিজ্ঞ কৃষক কীভাবে রীনা বেগমকে সহায়তা করতে পারে?

একজন অভিজ্ঞ কৃষক যেভাবে রীনা বেগমকে সহায়তা করতে পারে তা নিচে আলােচনা করা হলােঃ | একজন অভিজ্ঞ কৃষক বলতে আমরা বুঝি যিনি দীর্ঘকাল ধরে কৃষি কাজের সাথে যুক্ত রয়েছেন। এবং ফলস উৎপাদনে প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করেছেন। একজন অভিজ্ঞ কৃষক দীর্ঘকাল ধরে কৃষি কাজের সাথে যুক্ত থাকার ফলে তিনি যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তা হলাে- কোন সময়ে কোন ফসল ভালাে হয়, উন্নতমানের ফসলের বীজ, সার ও জাত সম্পর্কে তিনি যথেষ্ঠ ধারনার অধিকারী। এসকল বিষয় বা অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি কৃষিকাজ করে সফলতার মুখ দেখেছেন। অপরদিকে রীনা বেগম যেহেতু সম্প্রতি কৃষি মেলা থেকে কৃষিজাত পণ্য, বিভিন্ন ফসলের নানা জাতের চারা ও গাছের উন্নত ফলন দেখে কৃষি কাজের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে নিজের পৈত্রিক জমিতে কৃষি কার্যক্রম পরিচালনা করতে আগ্রহী হন তাই রীনা বেগমের ক্ষেতে কৃষি কাজের যথেষ্ঠ অভিজ্ঞতা হয়ে উঠেনি। তাই একজন অভিজ্ঞ কৃষক রীনা বেগমকে কৃষি কাজে সহায়তা করতে পারেন। একজন অভিজ্ঞ কৃষকের মাধ্যমে রীনা বেগম জানতে পারেন কোন সময়ে কোন ধরনের ফসল ভালাে জন্মে, সেই ফসলের রােগ থেকে কিভাবে ফসলকে রােগমুক্ত রাখা যায়, পােকার আক্রমন থেকে কিভাবে ফসল ভালাে রাখা যায় এবং ফসলের উন্নত জাত, বীজ, সার সম্পর্কে রীনা বেগম একজন অভিজ্ঞ কৃষকের নিকট থেকে প্রাপ্ত ধারনার মাধ্যমে রীনা বেগম সহায়তা লাভ করতে পারেন।

৫) একজন কৃষক ও একজন কৃষি বিজ্ঞানীকে তুমি কীভাবে আলাদা করবে?

উত্তরঃ একজন কৃষক ও একজন কৃষি বিজ্ঞানীকে আমি কীভাবে আলাদা করবে তার উপায় নিচে আলােচনা করা হলেঃ একজন কৃষক ও একজন কৃষি বিজ্ঞানী এক নয় কেননা একজন কৃষক কৃষক বেল কৃষিকাজ করেন। কিন্তু তার ফসলের জন্য কোন উপাদান কি পরিমাণে লাগবে কিংবা সঠিক সময়ে ফসলের সঠিক যত্ন ইত্যাদি সম্পর্কে ভালাে ধারণা রাখতে পারেন। ফসলের বিভিন্ন প্রকার সমস্যা সমাধানের জন্য কারাে নিকট তাকে যেতে হয়।

পক্ষান্তরে, কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে যিতি গবেষণা করে নতুন নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন তিনি কৃষি বিজ্ঞানী। তিনি একটি ফসলের জীবনচক্র সুন্দভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেন এবং তার নিকট কৃষি বিষয়ক নানা প্রকার তথ্য পুঞ্জিভূত থাকে। তারা নতুন ফসল ও প্রাণির উন্নতকাত উৎপাদন ও সংরক্ষণ পদ্ধতি উদ্ভাবন করে দেশের কল্যাণ সাধন করছেন।

উপরােক্তভাবে আমি একজন কৃষক ও একজন কৃষি বিজ্ঞানীকে আলাদা করতে পারবাে।

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট

১। শিশুর বয়সের উপর ভিত্তি করে শিশুকালের বিভিন্ন নামকরণ করা হয়েছে। নিম্নোক্ত ছকে নাম অনুযায়ী শিশুকালের বয়সসীমা এবং তাদের বৈশিষ্ট্য লিখ।

তুমি কী সব বয়সের শিশুর সাথে একই ধরনের আচরণ করবে? যুক্তি দিয়ে বােঝাও।

উত্তর 

বিকাশের নমুনায় কতগুলো ধাপ বা পর্যায় আছে: জন্মমুহূর্ত হতে পরিণতি লাভ পর্যন্ত সময়কে বয়স বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে কতগুলো ধাপে বিভক্ত করা হয়েছে।

প্রত্যেক ধাপের যেমন নিজস্ব বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে তেমনি বিভিন্ন ধাপের বিকাশমূলক কাজও ভিন্ন রকম। মনোবিজ্ঞানীগণ বিভিন্ন বয়সের বৈশিষ্ট্য ও বিকাশমূলক পরিবর্তনের ধারা অনুযায়ী জন্মমুহূর্ত থেকে বয়ঃসন্ধিক্ষণ পর্যন্ত এবং মৃত্যু পর্যন্ত বয়সকে কতগুলো ভাগে বিভক্ত করেছেন:-

শিশুর বয়সের উপর ভিত্তি করে শিশুকালের বিভিন্ন নামকরণ করা হয়েছে। নিম্নোক্ত ছকে নাম অনুযায়ী শিশুকালের বয়সসীমা এবং তাদের বৈশিষ্ট্য

শিশুকালের নাম বয়স সীমা বৈশিষ্ট্য
নবজাতককাল ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে ২ সপ্তাহ বা ১৪ দিন ১. প্রতিদিন ১৮ থেকে ২০ ঘন্টা ঘুমায়।

২. দুই থেকে তিন ঘণ্টা পরপর ঘুম থেকে জেগে উঠে,

৩. ঠোঁটের কাছে কিছু রাখলে চুষে খেতে চায়,

৪. হঠাৎ কোন শব্দ হলে শিশুর চমকে উঠে,

৫. মলমূত্র ত্যাগের পর আবার ঘুমায়,

 

অতি শৈশবকাল ২ সপ্তাহ থেকে ২ বছর ১.শিশুর বিকাশ দূরত্ব হয়,

২.শিশু হাঁটতে পারে,

৩.শিশু কথা বলতে শিখে,

৪.শিশুর ওজন দ্রুত বৃদ্ধি পায়,

৫.শিশু খেলাধুলা করে,

প্রারম্ভিক শৈশব ২ বছর থেকে ৬ বছর ১.শিশু অনেক বেশি প্রশ্ন করে,

২.শিশু স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়,

৩. শিশু অনেক বেশি শিখতে চাই,

৪.শিশু প্রচুর পরিমাণে কথা বলে,

মধ্য শৈশব ৬ বছর থেকে ১০ বছর ১.শিশুর শারীরিক বিকাশ ধীর গতিতে চলে,

২.সকল শিশু স্কুলে যায়,

৩.শিশুদের মধ্যে প্রয়োজনীয় দক্ষতা তৈরি হয়,

৪.নিজের কাজ নিজে করতে চায়,

৫.বন্ধুসভাব বৃদ্ধি পায়,

 

সব বয়সের শিশুর সাথে একই ধরনের আচরণ করবে। কারন বিভিন্ন বয়সের শিশুর সাথে শিশুর মধ্যে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য পার্থক্য থাকলেও সকলেই শিশু।যেকোন বয়সের শিশু হোক না কেন তাদের সাথে আমি যদি ভাল আচরণ করে তাহলে তারা ছোট হোক বা বড় হোক সকলের সাথে ভালো আচরণ করবে।কিন্তু আমরা যদি কম বয়সী শিশুদের সাথে খুব ভালো ব্যবহার করি কিন্তু বেশি বয়সের শিশুদের তেমন আচারণ না করি, আর বড় শিশুরা ভুল করলে তা শুধরে না দিয়ে শাসন করি।তাহলে তাদের মন মানসিকতা ভেঙে যাবে, যার ফলে তাদের নানা রকমের বিপদের বা খারাপ কাজে জরিয়ে পরবে ।

তাই আমাদের সকলের উচিত সকল শিশুদের সাথে ভালো আচরণ প্রদশণ করা।আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ তাহলে সব শিশুরা একদিন দেশের নাম সারা বিশ্বে উজ্জ্বল করবে।

৫ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর

এসাইনমেন্ট কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ থাকার পর গত ২৪ মে ২০২১ তারিখে পূণরায় ষষ্ঠ শ্রেনীর ৪র্থ এসাইনমেন্ট প্রকাশ করা হয়েছে । ৫ম সপ্তাহে মোট ২টি বিষয়ের উপর নির্ধারিত কাজ এসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে ।

বাংলা এসাইনমেন্ট

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন সহপাঠীর প্রতি তােমার আচরণ কেমন হওয়া উচিত বা অনুচিত তা একটি ছকের মাধ্যমে তুলে ধর।

উত্তর:

যে সকল শিশুর ইন্দ্রিয় ক্ষমতা বৃদ্ধি বা শারীরিক ক্ষমতা এতটাই ভিন্ন যে কারণে তাদের জন্য বিশেষ শিক্ষা বা বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়ােজন হয়, সেই সকল শিশুকে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু বলা হয়। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু বলতে সেইসব শিশুদের বুঝায় সমবয়স্কদের তুলনায় যাদের বুদ্ধি সংবেদন, শারীরিক বৈশিষ্ট্য, ভাব বিনিময় ক্ষমতা ও সামাজিক ক্ষেত্রে উল্লেখযােগ্য মাত্রার কম বা বেশি হয় তাকেই ব্যতিক্রমী শিশু বলে আখ্যায়িত করা হয়। অর্থাৎ যারা সাধারণের বাইরে তারাই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু।

আমার বিদ্যালয়ে আমার শ্রেনিতে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন যে সকল সহপাঠী রয়েছে তাদের প্রতি আমার আচরণ যেরুপ হওয়া উচিত বা অনুচিত তা নিম্নে একটি ছকের মাধ্যমে প্রকাশ করা হলাে:

ক্রমিক নং বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার আচরণ যেরূপ হওয়া উচিত বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার আচরণ যেরূপ হওয়া অনুচিত
বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের প্রথম সারিতে বসানাের ব্যবস্থা করা। তাদেরকে পেছনে রেখে সামনের সারিতে বসা।
কিছু না বুঝলে অথবা বুঝতে অসুবিধা হলে বুঝিয়ে দেওয়া। তাদের কাছে কোন কিছু কঠিনভাবে উপস্থাপন করা।
সহজ, সরল ও সাবলীল ভাষায় তাদের সাথে কথা বলা তাদেরকে প্রতিবন্ধী কিংবা অটিস্টিক বলা।
তাদেরকে যে কোন সমস্যায় সর্বোচ্চ সহযােগিতা করা। তাদের যে কোন সমস্যায় এগিয়ে না আসা।
তাদের কোনাে অসুস্থতা দেখা দিলে বিলম্ব না করে শিক্ষকদের জানানাে। তাদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহার না করা এবং বিপদে দূরে থাকা।
তাদেরকে সব সময় হাসিখুশি তথা বিনােদনের মধ্যে রাখা। তাদেরকে অবহেলিত মনে করে উপেক্ষা করা।
শ্রেণির অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও যেন তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে পারে সে ব্যবস্থা করা। তাদেরকে সমাজের বােঝা মনে করা তথা অন্যান্য শিক্ষার্থীদের অবজ্ঞায় উৎসাহিত করা।
তাদের মতামতের গুরুত্ব দেওয়া তাদের প্রাকৃতিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি গুরুত্ব আরােপ করা তাদের মতামতের প্রতি গুরুত্ব না তাদের প্রাকৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি বা ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করা।
তাদের একান্ত নিজস্ব অনুভূতির প্রতি সহমত পােষণ করা। তাদের একান্ত নিজস্ব অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া।
১০ তাদেরকে কথা বলার বা সামনে থেকে দেখার সুযােগ দেয়া। তাদেরকে কথা বলায় এবং দেখায় বাধা দেওয়া।
১১ তাদের সাথে সর্বদা ভালাে আচরণ করা। তাদের সাথে খারাপ আচরণ করা।

উপরিউক্ত উচিত এবং অনুচিত পদক্ষেপগুলাে সঠিক ভাবে পালন করতে পারলে সমাজ থেকে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যে বৈষম্য রয়েছে তা দূরীভূত হবে।

জীবন ও কর্মমূখী শিক্ষা এসাইনমেন্ট

একজন আত্মমর্যাদাবান মানুষ হিসেবে কোন কোন বৈশিষ্ট্য তােমার মধ্যে আছে? আর কি কি বৈশিষ্ট্য নিজের মধ্যে দেখতে চাও এবং কেন?

উত্তর:

আমরা নিজের সম্পর্কে যে বিচার, মতামত, মূল্যায়ন করি, সেটাই হলাে আত্মমর্যাদা। অন্যভাবে বুললে, আমাদের সম্পর্কে নিজের যে আবেগীয় মুল্যাযুন এবং নিজের প্রতি নিজের যে দৃষ্টিভঙ্গি, নিজের প্রতি নিজের অনুভূতি, সেটাই হলাে আত্মসম্মান বা আম্মুমর্যাদা। আয়ুসৰ্ম্মী সারাজীবনের অভিজ্ঞতার আলােকে তৈরি হয়। অতীত অভিজ্ঞতাগুলাে যদি ইতুিবাচক হয়, তাহলে আমাদের মধ্যে উচ্চ আত্মসম্মানবােধ তৈরি হবে। আর যদি নেতিবাচক হয়, তাহলে নিম্ন আত্মসম্মানবােধ তৈরি হবে। অতীত এবং বর্তমান জীবনের সব আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্কগুলােও আত্মসম্মান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিটি সম্পর্ক সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করতে পারা, দায়িত্বগুলাে সঠিকভাবে পালন করতে পারা প্রভৃতি আত্মসম্মানবােধ বৃদ্ধি করে।

একজন আত্মমর্যাদাবান মানুষ হিসেবে আমার মধ্যে যে সব বৈশিষ্ট্য আছে

  • আমি সদা সত্য কথা বলি। কারাে সাথে মিথ্যা কথা বলি না
  • সর্বদা সবাইকে সম্মান করি, শ্রদ্ধা করি।
  • আমি এমন কোন কাজ করি না যাতে করে আমার মর্যাদা বিলুপ্ত হয় সাথে সাথে সমাজুেব ক্ষতি হয ৷
  • আমি পরীক্ষাৰু সময় নকল করি না।
  • আমি কখনাে অন্যের জিনিস উক্ত ব্যক্তির অনুমতি ব্যতিত স্পর্শ করি না।
  • আমি আমার সহপাঠিদের সাথে কখনাে ঝগড়া বা মারামরি করি না।
  • সমাজে কোন অন্যায় হতে দেখলে আমি ভদ্রভাবে বাধাঁ দেই।
  • আমি আমার মর্যাদা সম্পর্কে সচেতন।
  • আমি এমন কেন কাজ করি না যাতে আমার মর্যাদা কমে যায়|

যে সব বৈশিষ্ট্য আমার মধ্যে দেখতে চাই:

  • দূর্নীতি থেকে মুক্ত থাকা
  • কর্মক্ষেত্রে ঘুষ গ্রহন না করা।
  • সমাজের অসহায়দের সাহায্য করা।
  • দেশের নাগরিক হিসেবে আমার দেশের নিয়ম শৃঙ্খলা মান্য করা৷
  • আত্মনির্ভর হওয়া।

৪র্থ সপ্তাহের উত্তর

বিজ্ঞান এসাইনমেন্টের উত্তর

তােমার পড়ার টেবিলের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা একটি স্কেলের সাহায্যে পরিমাপ করে খাতায় লিখ।
১. পড়ার টেবিলের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল নির্ণয়
২. এটি ঘরের কতটুকু জায়গা (আয়তন)। দখল করেছে তা বের কর।
৩. পড়ার টেবিল যে আয়তনের জায়গা। দখল করে সে আয়তনের একটি পাত্রে কত লিটার পানি ধরবে তা যৌক্তিক কারণসহ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: 

নিম্নে আমি আমার পড়ার টেবিলের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতার পরিমাপ একটি সেন্টিমিটার স্কেলের সাহায্যে মেপে উপস্থাপন করলাম।

আমার পড়ার টেবিলের দৈর্ঘ্য = ১৫০ সেন্টিমিটার

আমার পড়ার টেবিলের প্রস্থ = ৯০ সেন্টিমিটার

এবং আমার পড়ার টেবিলের উচ্চতা = ৮০ সেন্টিমিটার।

 ১ এর উওর:-

আমার পড়ার,

টেবিলের দৈর্ঘ্য = ১৫০ সেন্টিমিটার;

টেবিলের প্রস্থ = ৯০ সেন্টিমিটার।

আমরা জানি, ক্ষেত্রফল = (দৈর্ঘ্যxপ্রস্থ) বর্গ একক

তাহলে আমার পড়ার টেবিলের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল হবে  (১৫০x৯০) বর্গ সেন্টিমিটার = ১৩৫০০  বর্গ সেন্টিমিটার।

সুতরাং আমার পড়ার টেবিলের পৃষ্ঠের নির্ণেয় ক্ষেত্রফল = ১৩৫০০ বর্গ সেন্টিমিটার। (উত্তর)

 ২ এর উত্তর

আমার পড়ার,

টেবিলের দৈর্ঘ্য = ১৫০ সেন্টিমিটার

টেবিলের প্রস্থ = ৯০ সেন্টিমিটার

টেবিলের উচ্চতা = ৮০ সেন্টিমিটার

আমার পড়ার টেবিল ঘরের ভেতরের যেটুকু জায়গা দখল করবে সেটাই হবে তার আয়তন।

আমরা জানি, আয়তন = (দৈর্ঘ্যxপ্রস্থ×উচ্চতা) ঘন একক।

সুতরাং আমার পড়ার টেবিলের আয়তন= (১৫০x৯০x৮০) ঘন সেন্টিমিটার।

= ১০৮০০০০ ঘন সেন্টিমিটার।

উত্তর: এটি ঘরের ১০৮০০০০ ঘন সেন্টিমিটার জায়গা দখল করেছে।

 ৩ এর উত্তর

২ নং থেকে পাই আমার পড়ার টেবিলটি ঘরের ১০৮০০০০ ঘন সেন্টিমিটার জায়গা দখল করেছে।

প্রশ্নমতে, সমআয়তন পাত্রের আয়তন ১০৮০০০০ ঘন সেন্টিমিটার।।

ওই পাত্রে যেটুকু পানি ধরবে তা ওই পাত্রের আয়তনের সমান হবে।

আমরা জানি, ১০০০ ঘন সেন্টিমিটার পানির আয়তন ১ লিটার ।

সুতরাং, ১০৮০০০০ ঘন সেন্টিমিটার পানির আয়তন =(১০৮০০০০ ÷ ১০০০) লিটার।

=১০৮০ লিটার।

উত্তর: পড়ার টেবিল যে আয়তনের জায়গা দখল করে সেই আয়তনের একটি পাত্রে ১০৮০ লিটার পানি ধরবে।

চারু ও কারুকলা এসাইনমেন্টের উত্তর

আদিম মানুষের ছবি আকা ও বর্তমান সময়ের ছবি আকার তুলনামূলক বর্ণনা দাও ।

উত্তর :

আদিম যুগের ছবি আঁকা

আদিম মানুষরাও ছবি আঁকত। আর তাদের আঁকা ছবি দেখেই আজ আমরা জানতে পেরেছি তাদের জীবন ধারনের কথা। ঘর-বাড়ি তাদের ছিল না। বানাতেও জানত না। থাকত তারা গুহায়। চাষবাস, ফসল ফলানে-এসব কিছুই জানত না। পশু শিকার করে, মাংস খেয়ে জীবন বাঁচাত। যে গুহায় বাস করত তারা দল বেঁধে, সে গুহার এবড়ােথেবড়াে দেয়ালেই তারা ছবি এঁকেছে। অনেকগুলাে গুহা ফ্রান্সে ও স্পেনে আবিষ্কৃত হয়েছে।

ঘর সাজাবার জন্য তারা ছবি আঁকত না। কারণ ঘরই বানাতে শেখেনি, ছবি টাঙাবে কী! তবে কেন আঁকত জান? ছবি আঁকা আদিম মানুষের কাছে ছিল একটা জাদু বিশ্বাসের মতাে। জীবজন্তু শিকার করাই ছিল তাদের একমাত্র কাজ। তাই যেসব পশু তারা শিকার করত, তার ছবিই এঁকেছে। আবার পশুর গায়ে তীর, বর্শা, এসবও এঁকে দিয়েছে। এর অর্থ হলাে, শিকার করার হাতিয়ার দিয়ে পশুটিকে শিকার করা হলাে। শিকারে বের হবার আগে এসব ছবি এঁকে শিকারে বের হতাে। তাদের বিশ্বাস ছিল যে, শিকারে আজ সফল হবই। সে যুগের বেশিরভাগ জীবজন্তু ছিল বাইসন, ম্যামথ ইত্যাদি। হ্যা, আমাদের মতাে তারা এত সুন্দর তুলি বানাতে জানত না। পশুর শক্ত হাড় সুচালাে করে তা দিয়ে আঁচড় কেটে রেখা টানত। জীবজন্তুর পশম একসঙ্গে বেঁধে তুলি বানাত, আর রঙ তৈরি করত নানা রঙের মাটির সঙ্গে চর্বি মিশিয়ে। আর অবাক কান্ড-হাজার হাজার বছর পরও এসব ছবির রঙ, রেখা এখনাে খুব সুন্দর ও অক্ষত রয়েছে। আদিম মানুষ পশু শিকারের জন্য পাথরের তৈরি বিভিন্ন হাতিয়ার ব্যবহার করত। একপর্যায়ে এসব হাতিয়ারের গায়ে আঁচড় কেটে তারা নানারকম ছবি ফুটিয়ে তুলত। এমনকি তারা মাছের মেরুদণ্ডের কাঁটা, হাড়ের টুকরাে ইত্যাদি দিয়ে গলার হার (মালা) তৈরি করত। সেখান থেকেই কারুশিল্পের শুরু। এভাবে আদিম মানবগােষ্ঠী চারু ও কারুশিল্পের সূচনা করেছিল।

বর্তমান কালের ছবি আঁকা

বর্তমানে ছবি আঁকার জন্য অ্যাক্রেলিক রং নামে এক ধরনের রঙে খুব তাড়াতাড়ি ছবি আঁকা যায়। এই রং পানি ও তেল মিশিয়ে দুরকমভাবেই করা যায়। বাংলাদেশের শিল্পীদের কাছে অ্যাক্রেলিক রং এখন বেশ । প্রিয়। এই অ্যাক্রেলিক রঙে ছােটরাও ছবি আঁকতে পারে। তবে যথেষ্ট তাড়াতাড়ি আঁকতে হয় বলে ছােটদের। জন্য একটু কঠিন। ছােটদের জন্য জলরং, পােস্টার রং, মােম প্যাস্টেল- এসব রঙই ভালাে।

Lois Dodd and Sharif Farrag - Adams and Ollman

এখন ছবি আঁকার জন্য নানা ধরনের কাগজ তৈরি হচ্ছে, ক্যানভাস তৈরি হচ্ছে, ধাতব প্লেট বা জমিন তৈরি করা হচ্ছে। মাটির ফলক এখন অনেক উন্নত হয়েছে। অনেকদিন থেকে কাচের ওপর রং দিয়ে যেমন আঁকা হচ্ছে, অন্যদিকে ধারালাে ছুরি বা সুচালাে পাথর দিয়ে আঁচড় কেটে ছবি ফুটিয়ে তােলা হচ্ছে। কাগজে, ক্যানভাসে, মাটিতে, পাথরে, ধাতুর পাতে ও কাচের ওপর ছবি ফুটিয়ে তােলার জন্য রয়েছে নানারকম উপায়, পদ্ধতি। ছবি আঁকার জন্য এখন অনেক রকম রং ব্যবহার করা হয়। পানিতে মিশিয়ে যে রং তৈরি করা হয় তার নাম জলরং। মােম মেশানাে এক রকম রঙের কাঠি তৈরি হয়েছে, তার নাম প্যাস্টেল রং। রঙের সাথে তেল ও তারপিন মিশিয়ে বড় বড় শিল্পীরা ক্যানভাসে বা কাঠের পাটাতনে যে ছবি আঁকেন, তার নাম তৈলরং ।

পরবর্তী সপ্তাহের বিষয়সমূহ

  • ৫ম সপ্তাহ – বাংলা , কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা 
  • ৬ষ্ঠ সপ্তাহ – ইংরেজী ,  কৃষি শিক্ষা  ও গার্হস্থ্য বিজ্ঞান
  • ৭ম সপ্তাহ – গণিত ও ধর্ম শিক্ষা

 

বিশেষ সতর্কতা : উপরোক্ত নমুনা উত্তরগুলো দেওয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য হল, শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত বিষয়ের উপর ধারণা দেওয়া । ধারণা নেওয়ার পর অবশ্যই নিজের মত করে এসাইনমেন্ট লিখতে হবে ।

শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নির্দেশনা

১) নির্ধারিত কাজ বা এ্যাসাইনমেন্ট ঠিকভাবে সম্পদনের মাধ্যমে পরবর্তী শ্রেণির অর্থাৎ ৭ম শ্রেণীর পাঠ গ্রহণের ক্ষেত্রে এটি সুবিধা প্রদান করবে। এজন্য এসব এসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত আজ মনযোগ সহকারে সম্পন্ন করতে হবে।

২) নির্ধারিত কাজ বা এ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করতে NCTB প্রণীত ও প্রকাশিত ২০১১ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক ব্যবহার
করা যাবে।

৩) এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজের ভিত্তিতে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর স্বকীয়তা, নিজস্বতা ও সৃজনশীলতা যাচাই করা হবে। এজন্য নােট, গাইড বা অন্য কারো লেখা দেখে নির্ধারিত কাজ বা এ্যাসাইনমেন্ট জমা দিলে তা বাতিল বলে গন্য হবে এবং পুনরায় একি এসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ জমা দিতে হবে।

৪)  এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ অবশ্যই নিজের হাতে লিখতে হবে। নিজের হাতে লিখলে, হাতের লেখার যেমন অনুশীলন হবে একিভাবে বিষয়টি বুঝতেও সুবিধা হবে।

৫) এ্যাসাইনমেন্ট লেখার ক্ষেত্রে যে কোনাে সাধারণ কাগজ ব্যবহার করা যাবে। এ্যাসাইনমেন্টের প্রথম পাতায়
শিক্ষার্থীর নাম, শ্রেণী, আইডি, বিষয় ও Assignment বা নির্ধারিত কাজের শিরোনাম সুন্দর ও স্পষ্টভাবে  লিখতে হবে।

স্বীকারোক্তিঃ এখানে উপস্থাপিত সকল তথ্যই দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোক দ্বারা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা। যেহেতু কোন মানুষই ভুলের ঊর্দ্ধে নয় সেহেতু আমাদেরও কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকতে পারে।সে সকল ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী এবং একথাও উল্লেখ থাকে যে এখান থেকে প্রাপ্ত কোন ভুল তথ্যের জন আমরা কোনভাবেই দায়ী নই এবং আপনার নিকট দৃশ্যমান ভুলটি আমাদেরকে নিম্নোক্ত মেইল / পেজ -এর মাধ্যমে অবহিত করার অনুরোধ জানাচ্ছি।

ই-মেইলঃ admin@admissionwar.com অথবা এইখানে ক্লিক করুন।

admissionwar-fb-pageaw-fb-group

৮ Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back to top button