এ্যাসাইনমেন্ট

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১ । সকল সপ্তাহ

সকল সপ্তাহের ষষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১ | ৬ষ্ঠ শ্রেণী এসাইনমেন্ট সমাধান মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাওশি) এর ওয়েবসাইট dshe.gov.bd -এ প্রকাশিত করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার মত উপযুক্ত পরিবেশ তৈরী না হওয়ার কারণে এখনও সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের শিখন প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে গত বছরের ন্যায় ২০২১ শিক্ষাবর্ষে ধারাবাহিকভাবে এ্যাসাইনমেন্ট/ নির্ধারিত কাজের মাধ্যমে মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে। চলুন, ষষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানা যাক।

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এসাইনমেন্ট ২০২১

করোনা অতিমারীর কারণে গত ১৮ মার্চ ২০২০ তারিখ থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এখন পর্যন্ত উপযুক্ত পরিবেশ তৈরী না হওয়ার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনও খোলা সম্ভব হয়নি। এ কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের শিখন প্রক্রিয়া যেন ব্যহত না হয় তাই গত বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের ন্যায় এ বছরও ৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিকভাবে এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে।

এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ
  • ৩য় সপ্তাহ এসাইনমেন্ট প্রকাশ : ৩১ মার্চ ২০২১
  • মোট বিষয় : ২টি

ষষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি সপ্তাহে ২-৩টি বিষয়ের উপর এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন বা নির্দিষ্ট কাজ দেওয়া হবে। এ্যাসাইনমেন্ট শেষ করে জমা দেওয়া পর পরবর্তী সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন বা নির্ধারিত কাজ নিতে হবে। এভাবে ষষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করা হবে।

Cover Page 1 (admissionwar.com)
এসাইনমেন্ট কভার পেইজ ডিজাইন ( Exclusive)

৩য় সপ্তাহের ষষ্ঠ শ্রেণীর এসাইনমেন্ট

৩১ মার্চ ২০২১ তারিখে ৩য় সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রশ্ন প্রকাশ করা হয়েছে । এই সপ্তাহে দুটি বিষয়ের উপর নির্ধারিত কাজ জমা দিতে হবে । নিচে এসাইনমেন্ট প্রশ্ন  ও উত্তর দেওয়া হল :

  • গণিত এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর

তিনটি সংখ্যা ২৮, ৪৮ ও ৭২

(ক) ১ থেকে ৭২ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলি সনাক্ত কর।

(খ) ৮ ও ১২ সংখ্যা দুইটির সাধারণ ভাজক নির্ণয় কর।

(গ) মৌলিক গুণনীয়কের সাহায্যে সংখ্যা তিনটির বৃহত্তম সাধারণ গুণনীয়ক নির্ণয় কর।

(ঘ) ইউক্লিডীয় প্রক্রিয়ায় সংখ্যা তিনটির ন্যূনতম সাধারণ গুণিতক নির্ণয় কর।

(ঙ)দেখাও যে, উদ্দীপকের ১ম ও ২য় সংখ্যাদ্বয়ের গুনফল এদের ল.সাগু ও গ.সা.গু এর গুনফলের সমান ।

  • কৃষি এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর

ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা গ্রামের আদর্শ কৃষক আবদুর রহিম নিজ বাড়িতে ২টি গাভী, ১টি ষাঁড়, ২০টি হাঁস ও ২০টি মুরগি পালন করেন। এছাড়াও বাড়ির আঙ্গিনায় বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ফলমূল এবং পুকুরে নানা ধরনের মাছ চাষ করে থাকেন। তিনি মনে করেন মৌলিক চাহিদাগুলাের অধিকাংশই তার কার্যক্রম থেকে পেয়ে থাকেন। তুমি কী মনে কর , মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলাের সবকয়টি কৃষি কার্যক্রমের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব?  যুক্তি দ্বারা তােমার মতামত উপস্থাপন কর।।

উত্তর :

বাংলাদেশ কৃষিভিত্তিক দেশ। আমাদের জীবনে কৃষির গুরুত্ব অনেক । কৃষি কাজ সারা পৃথিবীতেই আদি, আধুনিক ও অত্যন্ত সম্মানজনক পেশা । কেননা এর মাধ্যমেই পুরাে বিশ্বের মানুষ খাবার খেয়ে বেঁচে থাকেন । আমাদের সব মৌলিক চাহিদাগুলােও (যেমন- খাদ্য, বস্ত্র , বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা ) বিভিন্নভাবে কৃষিকাজের মাধ্যমে। আদিকাল থেকে পূরণ করা হয় । তাই কৃষিকাজ ও কৃষিশিল্পের পরিধি ব্যাপক ও বিস্তৃত । আমাদের মৌলিক চাহিদাগুলাে পূরণের মাধ্যমে কৃষিকাজ ও কৃষিশিল্পের পরিধি ব্যাখ্যা করা হলাে :

মৌলিক চাহিদা -১ (খাদ্য)

খাদ্য মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্যতম হলাে খাদ্য। কৃষিই আমাদের খাবারের যােগান দেয় আমাদের | দৈনন্দিন জীবনে প্রয়ােজনীয় প্রধান খাদ্য হলাে চাল ।  চাল থেকে ভাত তৈরি করা হয় । এই ভাত বাংলাদেশের মানুষের প্রধান খাবার। আমাদের প্রতিদিনের জীবনে যেসব শাকসবজি, ফল-ফলাদি খাওয়ার প্রয়ােজন হয় , যেমন- গম, আলু, ভুট্টা , আম, আনারস, আপেল , পেঁপে (তরকারিতে দেই ও ফল হিসেবে আমৱা খাই), গাজর ইত্যাদি সবই চাষাবাদ করতে হয়। কখনাে বাড়ির আঙিনাতে , কখনাে বাগান করে , আবার কখনাে জমিতে চাষ করে আমরা কৃষকদের মাধ্যমে এই ফসল ও ফলমূলগুলাে উৎপাদন করি। তাই বলা যায়- শত , শত বছর ধরে এই দেশ ও এই অঞ্চলের মানুষের প্রধান খাবারের চাহিদা কৃষিকাজের মাধ্যমে চাষাবাদ পদ্ধতির মাধ্যমে হয়ে।

মৌলিক চাহিদা -২ (বস্ত্র)

বস্ত্র মানুষের নানা ধরনের প্রতিকূল আবহাওয়া , নিরাপত্তা ও নিজের লজ্জা নিবারণ ও সভ্যতার অংশ হিসেবে বস্ত্র পরিধান ও ব্যবহার হয়ে আসছে। এটা মানুষের দ্বিতীয় মােলিক চাহিদা। বস্ত্র তৈরির মূল যে উপাদান সেটা হচ্ছে সুতা , আর এ সুতা আসে কৃষি থেকে। যেমন- পাট, তুলা , রেশম, তিসি বা ফ্লাক গাছের আঁশ ।

মৌলিক চাহিদা -৩ (বাসস্থান)

বাসস্থান মানুষের তৃতীয় মৌলিক চাহিদা হিসেবে যাকে গণ্য করা হয় তা হল বাসস্থান। বাসস্থান তৈরির প্রধান উপকরণ বিশেষ করে গ্রাম অঞ্চলে বাঁশ, কাঠ, খড়, বেত, গোলপাতা , ছন ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় কৃষি পণ্য থেকে। এছাড়া শহরে ইটের গাঁথুনির বাড়িগুলােতে নকশা, ছাদ তৈরি ও দরজা জানালা তৈরিতে কাঠজাত কৃষিদ্রব্য ব্যবহার করা হয় ।

মৌলিক চাহিদা -৪ ( শিক্ষা)

শিক্ষা কথায় আছে, শিক্ষা মানুষকে মানুষ বানায় এবং একজন প্রকৃত শিক্ষিত মানুষ দেশের সম্পদ। আর এই শিক্ষার প্রধান উপকরণ যেমন- কাগজ , পেন্সিল তৈরি হয় কৃষিদ্রব্য বাঁশ, কাঠ, আখের ছােবড়া, ধানের খড়, রাবার, আঠা ইত্যাদি কৃষি পণ্য থেকে আসে ।

মৌলিক চাহিদা-৫ ( চিকিৎসা )

চিকিৎসা চিকিৎসা হল মানুষের গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক চাহিদা । রােগব্যাধির চিকিৎসার জন্য ওষুধ তৈরি হয়। এ ওষুধ মানুষের চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। মানুষের সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য এবং রােগ প্রতিরােধ করার জন্য বর্তমানে অ্যালােপ্যাথি (হারবাল), হােমিওপ্যাথি ইউনানী , আয়ুবের্দিক বিভিন্ন ওষুধ তৈরি হয় কৃষিজাত দ্রব্য দিয়ে । এছাড়া জীবন রক্ষাকারী পেনিসিলিন তৈরি হয় এক ধরনের ছত্রাক উদ্ভিদ থেকে। আমলকি,হরতকি, বয়রা , থানকুনি পাতা , বাসক ইত্যাদির উদ্ভিদের ঔষধি গুণ রয়েছে; যা আমাদের বিভিন্ন রােগ-ব্যাধি হতে সুস্থ্য হতে সহায়তা করে ।

উপসংহার : কৃষি গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন , খাদ্য নিরাপত্তা তথা খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জন , শিল্পায়ন , দারিদ্র্য দূরীকরণ , গ্রামীণ নারী – পুরুষের এবং বিশেষ করে শিশুদের পুষ্টি সাধনের মাধ্যমে আর্থ- সামাজিক ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে । আমাদের মৌলিক চাহিদার সবগুলােই আমরা কৃষি থেকে পেয়ে থাকি। আশার কথা হলাে- বর্তমানে কৃষির পরিধি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষ আগের থেকে বেশি কৃষির উপর গুরুত্ব দিচ্ছে। তরুণ যুব সমাজ নিজেদেরকে কৃষি পেশায় নিয়ােজিত করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে । সরকারি-বেসরকারিভাবে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের সব মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে কৃষির অবদান দিন দিন বেড়েই চলছে।

  • গার্হস্থ্য বিজ্ঞান

তােমার গৃহ পরিবেশের বিভিন্ন অংশের | নামগুলাে লেখ। ২। নিম্নে উল্লেখিত গৃহের অভ্যন্তরীণ স্থানগুলােকে ছকে সাজাও এবং সেই স্থানগুলােতে তােমার পরিবারের সদস্যরা কী কী কাজ করে তা উল্লেখ কর। শােবার ঘর, ড্রইং রুম, রান্নাঘর, খাওয়ার ঘর, পড়ার ঘর, বাথরুম।

উত্তর :

প্রতিটি মানব শিশুর জীবনের প্রথম পরিবেশ হলাে গৃহ। আশেপাশের সবকিছুই নিয়ে গৃহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। গৃহের ভিতরে ও বাইরের সব অংশ নিয়েই গড়ে ওঠে গৃহ পরিবেশ।

গৃহ পরিবেশের বিভিন্ন অংশের নামগুলাে হলাে:

(i) বিভিন্ন ঘর বা কক্ষ

(ii) বারান্দা।

(iii) ছাদ/চালা।

(iv) আঙিনা ইত্যাদি।

নিম্নে উল্লেখিত গ্রহের অভ্যন্তরীন স্থানগুলাে হলাে: শােবার ঘর, ড্রইং রুম, রান্নাঘর, খাওয়ার ঘর, পড়ার ঘর, বাথরুম।

স্থানের বিন্যাস স্থানের নাম সম্পাদিত কাজ
আনুষ্ঠানিক স্থান ড্রয়িং রুম সম্পাদিত কাজ আনুষ্ঠানিক স্থান বলতে বােঝায় যেখানে আনুষ্ঠানিক কাজগুলাে সম্পন্ন করা হয়। এখানে আমরা বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা রক্ষা। করি। আমাদের গৃহে কোনাে অতিথি, বন্ধু বান্ধব এলে আমরা আনুষ্ঠানিক স্থানগুলােতে তাদের অভ্যর্থনা জানাই, আপ্যায়ন করি। কখনও কখনও তাদের থাকার ব্যবস্থা করে থাকি ।
খাওয়ার ঘর
অনানুষ্ঠানিক স্থান শোবার ঘর অনানুষ্ঠানিক স্থান বলতে বােঝায় সাধারণত আমরা যে স্থানগুলােতে ব্যক্তিগত বা একান্ত নিজের কাজগুলাে করে থাকি। এখানে আমরা বিশ্রাম নেই, ঘুমাই, পড়াশােনা করি, সাজসজ্জা করি ইত্যাদি। এই স্থানগুলােতে শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যরাই তাদের বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করে থাকে।
পড়ার ঘর
কাজের স্থান রান্নাঘর এই স্থানে প্রতিদিন গৃহের বিভিন্ন ধরনের কাজ করা হয়ে থাকে। রান্নার কাজের মধ্যে খাবার রান্নার জন্য প্রস্তুতি অর্থাৎ কোটা, বাছা, ধােওয়া, মসলা বাটা ইত্যাদি থেকে শুরু করে রান্না করা সবই থাকে।। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মধ্যে পড়ে কাপড়চোপড় ধােওয়া, ইস্ত্রি করা, ঘর মােছা বা। লেপা, সিলিং, দরজা-জানালার গ্রিল ও কাচা, বাথরুম, টয়লেট, ঘরের আঙিনা ইত্যাদি পরিষ্কার করা।

 

বাথরুম

২য় সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট

প্রথম সপ্তাহের নির্ধারিত কাজ জমা দেওয়ার পর দ্বিতীয় সপ্তাহের কাজ দেওয়া হবে । ২য় সপ্তাহে ষষ্ঠ শ্রেণীতে যেসকল বিষয়ের উপর এসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে :-

  • ইংরেজী

Think of your first day at school. What experience did you have then? How did you feel- happy, frightened, thrilled or shy? Why did you feel so?
In your writing use the following cues
a. When did you go there?
b. Who did you go with?
c. How did you go there?
d. Who did you meet there?
e. What did you see there?
f. What was interesting / boring to you? Why?
g. How did you feel after returning home?

Answer:

My First Day at School

My first day at school is one of the most memorable days of my life. The day was Sunday 1 January 2012. I went to a nearby primary school with my father. I had many unknown fears. After reaching school, I saw some students were playing in the field. Then, we went to the Headmaster’s office. There we met some teachers. A teacher took us to my classroom. When my father left me in the class, I understood that I was in a new and unknown world. Soon all of the students joined the assembly. The headmaster delivered a short speech welcoming us at the beginning of the year. Then we returned to the class. After a while, our class teacher entered the class. He told us about many rules and important things.
After some time the first bell rang. Then a new teacher came. She was our English teacher. She told us an interesting story. I enjoyed the class. Really the teachers were very friendly to us. All my fear disappeared after the class. At last, the final bell rang. My father was waiting for me at the school gate. We came back home. I will never forget the sweet memories of the first day at school.

  • বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

পাঠ- ১ ও ২: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ।

পাঠ- ৩, ৪ ও ৫: বাংলাদেশে মানব বসতি ও রাজনৈতিক ইতিহাস ।

পাঠ- ৬: প্রাচীন বাংলাদেশের গৌরব:সমাজ, অর্থনীতি,ধর্ম

পাঠ- ৭: প্রাচীন বাংলাদেশের গৌরব: বিনােদন সংস্কৃতি, স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও চিত্রকলা

পাঠ- ৮: প্রাচীন বাংলাদেশের গৌরব: ভাষা, সাহিত্য, শিক্ষা

পাঠ- ৯: মধ্যযুগে বাংলাদেশ

পাঠ- ১০: আধুনিক যুগে বাংলাদেশ

উত্তর : 

১৯৫২ ভাষা আন্দোলন:

১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষাকে বাংলা করার জন্য ছাত্ররা একত্রিত হয়ে মিছিল বের করে। সেই মিছিলে পাক বাহিনির গুলিতে রফিক, সালাম, বরকত, ভাববারসহ আরাে অনেকে শহীদ হয়। ভাষা আন্দোলনের সময় বঙ্গবন্ধু জেলে। থাকলেও তিনি চিরকূটের মাধ্যমে আন্দোলনকে নেতৃত্ব দিয়েছে। ১৯৪৭ সালের ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তানের কর্মী সম্মেলনে গণতান্ত্রিক যুবলীগ গঠিত হয়। এর আগে ১৯৪৮ সালে ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর ভাষা বিষয়ক কিছু প্রস্তাব গৃহীত হয়। সম্মেলনের কমিটিতে গৃহীত প্রস্তাবগুলাে পাঠ করলেন সেদিনের। ছাত্রনেতা শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট সাধারণ নির্বাচন:

১৯৫৪ সালে ১০ই মার্চ পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে পূর্ববঙ্গে যুক্তফ্রন্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করে। কিন্তু পাকিস্তান শাষকগােষ্ঠী বাঙালির এই আধিপত্য মেনে নিতে পারেনি। মাত্র আড়াই মাসের মধ্যে ৩০শে মে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে মন্ত্রিসভা ভেঙ্গে দিয়ে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়। | এটা ছিল বাঙ্গালিদের উপর জুলুমের এক বহিঃপ্রকাশ। এই নির্বাচনের পর বঙ্গবন্ধুকে ৭ মাস কারাবন্ধি করে রাখা হযেছিল।নিরাপত্তা ব্যবস্থার ন্যূনতম উন্নতি করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করেনি। বাঙালিদের প্রতি জাতিগত এই বৈষম্যর বাস্তব চিত্র তুলে ধরে ১৯৬৬ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারী লাহারে আহত ‘সর্বদলীয় জাতীয় সংহতি সম্মেলন’ শেখ মুজিবর রহমান ৬ দফা দাবী উপস্থাপন করেন। ভাষণে তিনি বলেন, ‘গত দুই যুগ ধরে পূর্ব বাংলাকে যেভাবে শােষণ করা হয়েছে তার প্রতিকারকল্পে এবং পূর্ব বাংলার ভৌগােলিক দূরত্বের কথা বিবেচনা করে আমি ৬ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করছি।’ পরবর্তীতে এই ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির মুক্তিসনদ হিসাবে বিবেচিত হয়।

৬৬ এর ৬ দফা আন্দোলন:

১৯৬৫ সালে পাকভারত যুদ্ধর সময়কাল বাস্তব ক্ষেত্রে প্রমাণিত হয় পূর্ব বাংলা সভাবে অরক্ষিত ছিল। স্পষ্ট হয়ে ওঠে পাকিস্তানের সামরিক শাসকগণ। সামাজিক, সাংস্কৃতিক নিপীড়ন ও এখলিভিক শােষাণর ধারাবাহিকতায় বাংলার নিরাপত্তা ব্যবস্থার ন্যূনতম উন্নতি করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করেনি। বাঙালিদের প্রতি জাতিগত এই বৈষম্যর বাস্তব চিত্র তুলে ধরে ১৯৬৬ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারী লাহারে আহত ‘সর্বদলীয় জাতীয় সংহতি সম্মেলন’ শেখ মুজিবর রহমান ৬ দফা দাবী উপস্থাপন করেন। ভাষণে তিনি বলেন, ‘গত দুই যুগ ধরে পূর্ব বাংলাকে যেভাবে শােষণ করা হয়েছে তার প্রতিকারকল্পে এবং পূর্ব বাংলার ভৌগােলিক দূরত্বের কথা বিবেচনা করে আমি ৬ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করছি।’ পরবর্তীতে এই ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির মুক্তিসনদ হিসাবে বিবেচিত হয়।

৬৯ এর গণ–আন্দোলন:

পূর্ববাংলার স্বায়ত্বশাসনের দাবিতে জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনগুলাের সমন্বয়ে দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে ওঠে। এই ধারাবাহিকতায় স্বায়ত্বশাসনের আন্দোলন বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের পথকে উন্মুক্ত করে। -সহিংস আন্দোলন সহিংসতার দিকে ধাবিত হতে থাকে। এই সময় রাজনৈতিক দলের ৬ দফা দাবি গণদাবিতে পরিণত হয়।

৭০ এব সাধারণ নির্বাচন:

২৫শে মার্চ ৬৯ সারা দেশে সামরিক শাসন জারির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হস্তান্তর হলেও সামরিক সরকার গণ-দাবিকে উপেক্ষা করার মত শক্তি সঞ্চয় করতে পারেনি। তাই প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক জেনারেল আগা মােহাম্মদ ইয়াহিয়া খান সারা দেশে এক ব্যক্তি এক ভােটের নীতিতে সাধারণ নির্বাচন দিতে বাধ্য হন। ৭ই ডিসেম্বর ‘৭০ থেকে ১৯শে ডিসেম্বর’ ৭০ এর মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে। তফসিল ঘােষণা করা হয় এবং শান্তিপূর্ণভাবে দেশব্যাপী এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ ৬ দফা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের পক্ষে রায় প্রদান করে।এ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ জাতীয় পরিষদে ৩১০ আসনের মধ্যে ১৬৭ আসন এলাভ করনিরস্তুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিষ কেন্দ্রীয় সরকার গঠন আন্তঃনাক্ত করে। নির্বাচন জয়লাভের পর পাকিস্তানের সামরিক শাসক জেনারেল আসা মােহাম্মদ ইয়াহিয়া খান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সরকার গঠন মত দিতে অস্বীকার করেন।
l

৭১ এর অসহযোগ আন্দোলন:

একটি রাজনৈতিক দল জনগণের ভােটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের ম্যান্ডেট পেয়েছে। তারা সরকার গঠন করবে, এটাই ছিল বাস্তবতা। কিন্তু সামরিক শাসকগণ সরকার গঠন বা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে এক আলােচনা শুরু করে। কিসের জন্য আলােচনা, এটা বুঝতে বাঙালি। নেতৃবৃন্দের খুব একটা সময় লাগেনি। জাতীয় সংসদের নির্ধারিত অধিবেশন স্থগিতের প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু ১লা মার্চ ১৯৭১ দেশব্যাপী অসহযােগের আহবান জানান। সর্বস্তরের জনগণ একবাক্যে বঙ্গবন্ধুর এই আহবানে সাড়া দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের সমস্ত প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে অচল করে তােলে। তারপর। ৭ই মার্চ শেখবুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘােষনা দেন এবং সংগ্রামের ডাক দেন। বসব মুজিবর রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সুহণ করা হয়।

বিশেষ সতর্কতা : উপরোক্ত নমুনা উত্তরগুলো দেওয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য হল, শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত বিষয়ের উপর ধারণা দেওয়া । ধারণা নেওয়ার পর অবশ্যই নিজের মত করে এসাইনমেন্ট লিখতে হবে ।

শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নির্দেশনা

১) নির্ধারিত কাজ বা এ্যাসাইনমেন্ট ঠিকভাবে সম্পদনের মাধ্যমে পরবর্তী শ্রেণির অর্থাৎ ৭ম শ্রেণীর পাঠ গ্রহণের ক্ষেত্রে এটি সুবিধা প্রদান করবে। এজন্য এসব এসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত আজ মনযোগ সহকারে সম্পন্ন করতে হবে।

২) নির্ধারিত কাজ বা এ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করতে NCTB প্রণীত ও প্রকাশিত ২০১১ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক ব্যবহার
করা যাবে।

৩) এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজের ভিত্তিতে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর স্বকীয়তা, নিজস্বতা ও সৃজনশীলতা যাচাই করা হবে। এজন্য নােট, গাইড বা অন্য কারো লেখা দেখে নির্ধারিত কাজ বা এ্যাসাইনমেন্ট জমা দিলে তা বাতিল বলে গন্য হবে এবং পুনরায় একি এসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ জমা দিতে হবে।

৪)  এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ অবশ্যই নিজের হাতে লিখতে হবে। নিজের হাতে লিখলে, হাতের লেখার যেমন অনুশীলন হবে একিভাবে বিষয়টি বুঝতেও সুবিধা হবে।

৫) এ্যাসাইনমেন্ট লেখার ক্ষেত্রে যে কোনাে সাধারণ কাগজ ব্যবহার করা যাবে। এ্যাসাইনমেন্টের প্রথম পাতায়
শিক্ষার্থীর নাম, শ্রেণী, আইডি, বিষয় ও Assignment বা নির্ধারিত কাজের শিরোনাম সুন্দর ও স্পষ্টভাবে  লিখতে হবে।

স্বীকারোক্তিঃ এখানে উপস্থাপিত সকল তথ্যই দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোক দ্বারা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা। যেহেতু কোন মানুষই ভুলের ঊর্দ্ধে নয় সেহেতু আমাদেরও কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকতে পারে।সে সকল ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী এবং একথাও উল্লেখ থাকে যে এখান থেকে প্রাপ্ত কোন ভুল তথ্যের জন আমরা কোনভাবেই দায়ী নই এবং আপনার নিকট দৃশ্যমান ভুলটি আমাদেরকে নিম্নোক্ত মেইল / পেজ -এর মাধ্যমে অবহিত করার অনুরোধ জানাচ্ছি।

ই-মেইলঃ admin@admissionwar.com অথবা এইখানে ক্লিক করুন।

admissionwar-fb-pageaw-fb-group

২ Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back to top button