এ্যাসাইনমেন্ট

৯ম শ্রেণি এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১

৯ম শ্রেণি এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১ । ৯ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১ মাধ্যমিক ও শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.dshe.gov.bd -তে  প্রকাশ করা হয়েছে। ২০২০ সালের মত ২০২১ শিক্ষাবর্ষেও পূণরায় নির্ধারিত কাজ বা এ্যাসাইনমেন্ট নেওয়া জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। আজকে আমরা নবম শ্রেণি এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১ সম্পর্কে বিস্তারিত জানব ।

৯ম শ্রেণি এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১

করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে ২০২০ সালের মার্চ মাসে সকল বোর্ডের শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয় । শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে নির্ধারিত কাজ বা এ্যাসাইনমেণ্ট প্রণয়ন করা হয় । এরই ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালের মার্চ মাসের ২০ তারিখ থেকে পূণরায় ৯ম শ্রেণির এসাইনমেণ্ট জমাদানের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে  ।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
  • ২য় সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রকাশ : ৩১মার্চ ২০২১
  • মোট বিষয় : ৬টি
  • প্রশ্ন পিডিএফ : ডাউনলোড

৯ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট সমাধান

৯ম শ্রেণিতে মোট ত্রিশটি বিষয় রয়েছে । ত্রিশটি বিষয়ের মধ্যে আবশ্যিক এবং গ্রুপ ভিত্তিক বিষয় রয়েছে। বিভিন্ন সপ্তাহে বিভিন্ন বিষয়ে এসাইনমেন্ট দেওয়া দেওয়া হবে । শিক্ষার্থীরা তাদের নির্ধারিত কাজ নির্ধারিত সময়ে শ্রেণী শিক্ষকের নিকট জমা দিবেন । নিচে নবম শ্রেণীর সকল বিষয়ের এ্যাসাইনমেণ্ট সমাধান দেওয়া হল –

আরও পড়ুন: বিভিন্ন ডিজাইনের এসাইনমেন্ট কাভার পেইজ (এক্সক্লুসিভ)

৩য় সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সকল শ্রেণির এসাইনমেন্ট প্রশ্ন প্রকাশ করা হয়েছে । ৯ম শ্রেণির জন্য ৬টি বিষয়ের উপর এসাইনমেন্ট দেওয়া হয়েছে ।

  • গণিত এসাইনমেন্ট উত্তর

  • উচ্চতর গণিত এসাইনমেন্ট উত্তর

উত্তর :

ক  এর উত্তর : উদ্দীপকে বর্ণিত অন্বয়টি হচ্ছে ফাংশন । আমরা জানি, যদি কোন অন্বয়ে একটি প্রথম উপাদান বিশিষ্ট দু’টি ভিন্ন এমজোড় না থাকে, তবে সেই অন্বয়টিকে ফাংশন বলে । উদ্দীপকে বর্ণিত অন্বয়টিতে একই প্রথম উপাদান বিশিষ্ট দুটি ভিন্ন ক্রমজোড় নেই  যেমন: (x,a), (y,b), (z,c)

উদ্দীপকে বর্ণিত ফাংশনটি হচ্ছেইন-টু ফাংশন। | আমরা জানি, যদি কোনাে ফাংশনের রেঞ্জ কো-ডােমেন এর উপসেট হয়, তবে তাকে ভিতর ফাংশন বা ইন-টু ফাংশন বলা হয় ।

অর্থাৎ, ইন-টু ফাংশানের রেঞ্জ ও কো-ডােমেন কখনােই সমান হয় না ।

প্রথম ফাংশনটির কো-ডােমেন = {a,b,c} এবং রেঞ্জ = {a,b}

খ এর উত্তর : উদ্দীপকে বর্ণিত ফাংশনটির বিপরীত অন্বয় :

আমরা জানি, কোনাে ফাংশন এর বিপরীত ফাংশন থাকবে যদি ফাংশনটি এক-এক এবং সার্বিক হয় । এখানে, অন্বয়টিতে একই প্রথম উপাদান বিশিষ্ট দু’টি ভিন্ন শ্রমজোড় আছে। যেমন : (b,y) , (b,z)

তবে c ডােমেনের কোনাে প্রতিচ্ছবি নেই এখানে। | সুতরাং বিপরীত অন্বয়টি কোনাে ফাংশন নয় । যেহেতু বিপরীত অন্বয়টি কোনাে ফাংশনই নয়, তাই (a) এর বিপরীত ফাংশন সম্ভব নয়।

  • গার্হস্থ্য বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট

গৃহ ব্যবস্থাপনার পর্যায়গুলো অনুসরণ করে তোমার কক্ষটিতে কিভাবে আরো আকর্ষণীয় করে তোলা যায় তা নিচের বর্ণনা কর ।

উত্তর :

পারিবারিক লক্ষ্যসমূহ অর্জনের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন, সংগঠন, নিয়ন্ত্রণ, মূল্যায়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে মানবীয় ও বস্তুবাচক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারকেই গৃহ ব্যবস্থাপনা বলে। গৃহ ব্যবস্থাপনা একটি ধারাবাহিক গতিশীল প্রক্রিয়া, যার জন্য প্রয়ােজন সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং যা কোন কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনের প্রচেষ্টাকে কেন্দ্র করে সম্পন্ন করা হয়। এই ব্যবস্থাপনা হলাে পারিবারিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য কতগুলাে ধারাবাহিক কর্মপদ্ধতির সমষ্টি মাত্র। এ পদ্ধতি গুলাে ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন করতে হয় বলে । এগুলােকে গৃহ ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি বলা হয়।

গৃহ ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি বা পর্যায়গুলাে হলাে:

১. পরিকল্পনা

২. সংগঠন

৩. নিয়ন্ত্রণ ও

৪. মূল্যায়ন।

দৈনন্দিন কাজে সচেতনতার সাথে এই ধাপগুলাে আমাদের অনুসরণ করতে হয়। লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে দৈনন্দিন কাজের একটি সুষ্ঠ কর্ম পরিকল্পনা করা হয়। আর এই কর্ম পরিকল্পনা থেকে শুরু করে মূল্যায়ন, সংগঠন ও নিয়ন্ত্রণ ধারাবাহিকভাবে চক্রাকারে চলতে থাকে। গৃহ ব্যবস্থাপনার পর্যায়গুলাে অনুসরণ করে আমার কক্ষটিকে যেভাবে আরও আকর্ষণীয় করে তােলা যায় তা নিম্মে বর্ণনা করা হলাে: গৃহ ব্যবস্থাপনার সংজ্ঞা হতে স্পষ্ট ধারণা করা যায় যে, গৃহ ব্যবস্থাপনা পারিবারিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য কতগুলাে ধারাবাহিক কর্মপদ্ধতির সমষ্টি মাত্র। এ পদ্ধতি গুলাে ধারাবাহিক ভাবে সম্পন্ন করতে হয় বলেই এগুলােকে গৃহ ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি বা পর্যায় বলা হয়।

পরিকল্পনা

গৃহ ব্যবস্থাপনার প্রথম ধাপ হলাে পরিকল্পনা করা। লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে যেসব কর্মপ্রনালী অবলম্বন করা হয়, তার আগে কাজটি কীভাবে করা হবে, কেন করা হবে ইত্যাদি সম্বন্ধে চিন্তাভাবনা করার নাম পরিকল্পনা। অর্থাৎ পরিকল্পনা হলাে পূর্ব থেকে নির্ধারিত একিটি কার্যক্রম। এক্ষেত্রে, আমি আমার কক্ষটাকে কেন সুন্দর করতে চাই, কক্ষটি সুন্দর করতে চাইলে প্রথমে আমাকে কি করতে হবে এবং কেন করতে হবে এসব চিন্তাভাবনাই হলাে পরিকল্পনা। সৌন্দর্যবর্ধন এবং মনতুষ্টির জন্য আমি আমার কক্ষটাকে সুন্দর করতে চাই। কক্ষটি সুন্দর করতে হলে প্রথমে আমাকে আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে আলােচনা করে নিতে হবে। কারণ, পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে পরিবারের সদস্যদের মতামতে যেকোনাে কাজ করা অনেক সহজ হয়।

গৃহ ব্যবস্থাপনার পর্যায় অনুসরণ করে আমার কক্ষটি আকর্ষণীয় করার উপায়-

• সংগঠন

গৃহীত পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিবারের বিভিন্ন কাজগুলাের মধ্যে সংযােগ সাধন করার নাম সংগঠন। সংগঠন পর্যায়ে কোন কাজ কোথায় ও কিভাবে করা হবে তা স্থির করা হয়। কাজ করতে গেলে কোন কাজ কাকে দিয়ে করানাে হবে, সে কাজ সম্পর্কে কার অভিজ্ঞতা আছে, কিভাবে কাজটি করতে হবে, কি কি সম্পদ ব্যবহার করা হবে ইত্যাদি বিবেচ্য বিষয়সমূহ সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত। এক কথায় কাজ, কর্মী ও সম্পদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাকে সংগঠন বলে।

আমার পরিকল্পিত কাজে আমার মা, বাবা এবং ভাই আমাকে সাহায্য করতে পারবে। যেভাবে তারা আমাকে সাহায্য করতে পারে তা নিম্মে কয়েকটি গুরুত্বপুর্ণ পয়েন্টের মাধ্যমে দেখানাে হলােঃ

  • প্রথম পর্যায়ে করণীয় কাজের বিভিন্ন অংশের একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া রচনা করবে।
  •  দ্বিতীয় পর্যায়ে কোন কাজ আগে এবং কোন কাজ পরে হবে তা ধারাবাহিকভাবে নির্ধারন করবে।

নিয়ন্ত্রণ

গৃহ ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে নিয়ন্ত্রণ করা। নিয়ন্ত্রণ বলতে বােঝায় পরিবারের সকল ব্যক্তি সুশৃংখলভাবে পারিবারিক লক্ষ্য অর্জনের কাজে নিয়ােজিত কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা। পরিকল্পিত কর্মসূচি ও পূর্ব নির্ধারিত মান অনুসারে কার্য সম্পাদিত হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা ও প্রযােজনবােধে উপযুক্ত সংশােধনীর ব্যবস্থা করা এ
পর্যায়ের কাজ চলাকালীন অবস্থায় কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে দেখতে হবে, যে পরিকল্পনা করা হয়েছে সে অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কিনা, যাকে যে কাজ দেয়া হয়েছে সেই কাজ সঠিকভাবে করছে কিনা ইত্যাদি। প্রয়ােজনবােধে কাজের ধারা পরিবর্তন করে কাজ সম্পাদনের ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে কক্ষটি সাজানাে আমার পছন্দ হচ্ছে কিনা বা না হলে আমি যা করব – প্রয়ােজন অনুযায়ী গৃহীত পরিকল্পনায় কিছুটা রদবদল করে নতুন কোনাে সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করে দৃষ্টিনন্দন করার চেষ্টা করবাে।

মূল্যায়ন

গৃহ ব্যবস্থাপনার সর্বশেষ পর্যায় হলাে মূল্যায়ন করা। কাজের ফলাফল বিচার বা যাচাই করাই হচ্ছে মূল্যায়ন। পরিকল্পনা ও। নিয়ন্ত্রণের ওপর কাজের ফলাফল নির্ভর করে। কাজটি করার পেছনে এ যে লক্ষ্য ছিল তা অর্জনে পূর্ববর্তী পর্যায়গুলাের অবদান পুত্থানুপুঙ্খরূপে মূল্যায়ন করতে হবে।মূল্যায়ন ছাড়া কাজের সফলতা ও বিফলতা নিরূপণ করা যায় না। কাজের উদ্দেশ্য বা লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে ফলাফল যাচাই করতে হয়। উদ্দেশ্য সাধিত না হলে ফলাফল ভালাে হলাে হয়নি এটা বুঝতে হবে।

সঠিক মূল্যায়নের জন্য আমাকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলাের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবেঃ

  • উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনার সাথে কাজের মিল খুজে বের করা;
  • লক্ষ্য অনুযায়ী পরিকল্পিত কাজগুলাে কতটা সার্থক হয়েছে তা যাচাই করা;
  • লক্ষ্য অনুযায়ী কাজের মান যাচাই করা
  • কাজের সফলতা বা ব্যর্থতা নিরূপণ করা এবং
  • কাজে ব্যর্থ হলে ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধান করে পরবর্তীতে সংশােধনের মাধ্যমে কাজে সফল হওয়ার উপায় খুজে বের করা ।

মূল্যায়নের ভিত্তিতে এ কথা বলতে দ্বিধা নেই যে, সু-সজ্জিত এবং পরিচ্ছন্ন কক্ষটিতে বসে এখন আমার অনেক ভালাে লাগছে। দৃষ্টিনন্দন ও মনকাড়া এই কক্ষে বসে আমি আরাম অনুভব করছি। আমার কক্ষের প্রতিটি জিনিসই এখন আকর্ষিত।

  • অর্থনীতি এসাইনমেন্ট উত্তর

‘আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অর্থনীতির দশটি মৌলিক নীতি কার্যকর ভূমিকা রাখে। উপরােক্ত বিষয়ে অনাধিক ৩০০ শব্দের একটি প্রতিবেদন রচনা কর।

উত্তর : অর্থনীতির জনক এডাম স্মিথ এর মতে- অথনাতি হচ্ছে এমন একটি বিজ্ঞান যা জাতিসমূহের সম্পদের উৎস, ধরণ ও কারণ অনুসন্ধান করে । অর্থনীতিবিদ আলফ্রেড মার্শাল এর মতে- অর্থনীতি এমন একটি বিষয় যা মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ কার্যাবলি নিয়ে আলােচনা করে। অর্থনীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে মানুষের কল্যাণ সাধন।

অর্থাৎ, মানুষ কিভাবে অর্থ উপার্জন করে এবং তা বিভিন্ন অভাব মােচনে ব্যয় করে তাই অর্থনীতির আলােচ্য বিষয় । অর্থনীতির দশটি মােলিক নীতি আমাদের সমাজে সম্পদ স্বল্পতার পরিপ্রেক্ষিতে অমীম অভাব মােকাবেলা করতে হয় ।

অর্থনীতিবিদ গ্রেগরি ম্যানকিউয়ের মতবাদ অনুসারে অর্থনীতির দশটি মােলিক নীতি নিম্নে উল্লেখ করা হলাে :

১. মানুষকে পেতে হলে ছাড়তে হয় ।

২. সুযােগ ব্যয় ।

৩. যুক্তিবাদী মানুষ প্রান্তিক পর্যায় নিয়ে চিন্তা করে ।

৪. মানুষ প্রণােদনায় সাড়া দেয়।

৫. বাণিজ্য সবাই উপকৃত হয় ।

৬. অর্থনৈতিক কার্যক্রম সংগঠিত করার জন্য সচরাচর বাজার একটি উত্তম পন্থা।

৭. সরকার কখনাে কখনাে বাজার নির্ধারিত  ফলাফলের উৎকর্ষ সাধন করতে পারে ।

৮. একটি দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান নির্ভর করে সে দেশের দ্রব্য ও সেবা উৎপাদনের ক্ষমতার উপর ।

৯. যখন সরকার অতি মাত্রায় মুদ্রা ছাপায়, তখন দ্রব্যমূল্য বেড়ে যায়।

১০. সমাজে মুদ্রাস্ফীতি এবং বেকারত্বের মধ্যে স্বল্পকালীন বিপরীত সম্পর্ক বিরাজ করে।

আমাদের জীবনে অর্থনীতির মৌলিক নীতিগুলাের প্রভাব যদি বাণিজ্য না থাকত তাহলে প্রতিটি পরিবারকে নিজেদের মৌলিক চাহিদা মেটানাের জন্য নিজেদেরকেই খাদচু উৎপাদন করতে হতাে , বস্ত্র তৈরি করতে হতাে , তেমনি বসবাসের জন্য বাসস্থান নির্মাণ | করতে হতাে । কিন্তু এটা কখনই একটি পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয় । এ কারণেই সমাজে মানুষ আদান – প্রদানের মধ্যে বিকল্প অবস্থা বাছাই করে।

পরিবারের মতই বিভিন্ন দেশ তাদের মধ্যে উৎপাদিত বিশেষায়িত দ্রব্য বিনিয়ােগ করে। ফলে বাণিজ্যে প্রতিটি দেশেই লাভবান হয়। মানুষের  দ্রব্য ব্যবহারের পরিবর্তন তখনই ঘটে যখন খরচ বা সুবিধা সংক্রান্ত কোনাে পরিবর্তন ঘটে । চাহিদা ও যােগানের মাধ্যমে দ্রব্যের দাম নিজে নিজেই নির্ধারিত হয় , যাকে অর্থনীতিতে অদৃশ্য হাত বলা হয়।

যখন এই অদৃশ্য হাত সঠিকভাবে কাজ করে না তখন সরকারের দৃশ্যমান হাতের হস্তক্ষেপের প্রয়ােজন হয় । আবার, অর্থনীতিতে যখন দাম স্তর বৃদ্ধি পায় তখন। সেখানে মূল্যস্ফীতি ঘটে । অর্থাৎ, অর্থনীতিতে অর্থের যােগান বেশি হলে মূল্যস্ফীতি হয়ে থাকে । আর এই । অর্থের যােগান নিয়ন্ত্রণ করে যেকোনাে দেশের সরকার । একটি দেশের সরকার যখন অধিকমাত্রায় মুদ্রা ছাপায় তখন ঐ দেশে মূল্যস্ফীতি দেখা দেয় ।

ফলে সে দেশের অর্থের মূল্য বা মান কমে যায় ।তাছাড়া , প্রতিটি দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান। নির্ভর করে সে দেশের উৎপাদন ক্ষমতার উপর যে। দেশের দ্রব্য বা সেবা উৎপাদনের ক্ষমতা বেশি সেদেশের মানুষের উন্নত খাবার ব্যবস্থা, উন্নত স্বাস্থ্য সেবা ও নাগরিক সুবিধা বেশি এবং জীবনযাত্রার মানও উন্নত । কাজেই বলা যায়- আমাদের জীবনে অর্থনীতির। মৌলিক নীতিগুলাের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে।

আমার জীবন-যাপনে অর্থনীতির মৌলিক নীতিগুলাের ভূমিকা আমার জীবনে অর্থনীতির মৌলিক উপাদানগুলাের খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। যেন: একটি পণ্য ক্রয়ের বেলায় বেশি অর্থ খরচ হয়ে গেলে; অন্য পণ্য ক্রয়ে স্বল্প অর্থ ব্যয় করতে পারব। আবার, একটি পণ্য ক্রয় করলে অন্য আরেকটি পণ্য ক্রয়ের সুযােগ ত্যাগ করতে হবে ।

বাজারে পণ্যের দামাদামি করার মাধ্যমে ক্রয় – বিক্রয়। করতে পারি । বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারি হস্তক্ষেপে নির্ধারিত দামে পণ্য ক্রয় করতে হয়। অন্যদিকে, প্রান্তিক পণ্য থেকে প্রান্তিক উপযােগ সর্বোচ্চ আদায়ের চেষ্টা করি। এছাড়া অন্যান্য উপাদানগুলােও আমার। জীবনে নানানভাবে প্রভাব ফেলে। অর্থনীতির মৌলিক উপাদানগুলােও ব্যক্তিক, ব্যবসায়িক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

মানবজীবনে অর্থনীতির গুরুত্ব অপরিসীম। স্বল্পমেয়াদে বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফীতির মধ্যে বিপরীতমুখী সম্পর্ক বিরাজ করে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি কমলে বেকারত্ব বাড়ে এবং মুদ্রাস্ফীতি বাড়লে বেকারত্ব কমে । আবার, যে দেশের মানুষের দ্রব্য ও সেবা উৎপাদনের ক্ষমতা বেশি তাদের জীবনযাত্রার মানও তত উন্নত । তাই- অর্থনীতির মৌলিক । উপাদানগুলাে সম্পর্কে আমাদের প্রত্যেকের সঠিক ধারণা রাখা উচিত ।

  • কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান

তােমার এলাকার প্রধান প্রধান ফসলের নাম উল্লেখপূর্বক ফসলসমুহ চাষের কারণ ও সেগুলাের জন্য জমি প্রস্তুতির বিবরণ উল্লেখ করে একটি প্রতিবেদন তৈরি কর।

২য় সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর দ্বিতীয় সপ্তাহের নির্ধারিত কাজ প্রকাশ করেছে । নিচে সকল বিষয়ের প্রশ্ন ও সমাধান দেওয়া হল ।

  • ইংরেজী এসাইনমেন্ট

Prepare a fact file (a short report of all the most important information on a person or subject) on the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman.
You can use narratives, pictures, images, information, newspaper clips etc. to support your assignment.
Write 180-200 words.

  • জীববিজ্ঞান এসাইনমেন্ট

নিচের সংকেতগুলাে অনুসরণ কওে | Margulis এর শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী জীব জগতের ৫টি রাজ্যের বৈশিষ্ট্য তুলনামূলক ছকে উপস্থাপন কর এবং নিচে উল্লেখিত তােমার পরিচিত জীবগুলােকে তাদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করে ছকটিতে দেখাও।

সংকেত:

(ক) নিচের বৈশিষ্ট্যেও আলােকে রাজ্য নির্বাচন কর: ১। কোষের প্রকৃতি ও সংখ্যা ২। নিউক্লিয়াসের গঠন ৩। সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গানুসমূহ | ৪। কোষ বিভাজন ৫। খাদ্যাভাস ৬। জনন পদ্ধতি  ৭। ভ্রণ গঠন

(খ) কোনটি কোন রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত তা দেখাও: ১। আমগাছ ২। আমাশয়ের জীবাণু। ৩। দোয়েল | ৪। রাইজোবিয়াম
৫। মিউকর। | ৬। সাইকাস ৭। শামুক | ৮। অ্যাগারিকাস। | ৯। নিউমােকক্কাস ১০। স্পাইরােগাইরা

উত্তর : Margulis এর শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী জীব জগতের ৫টি রাজ্যের বৈশিষ্ট্য তুলনামূলক ছকে উপস্থাপন করা হল ।

মনেরা প্রােটিস্টা ফানজাই প্লানটি অ্যানিমেলিয়া
এর এককোষী । ফিলামেন্টাস, কলোনিয়াল । ১. এরা এককোষী ও বহুকোষী। ১.এককোষী অথবা মাইসেলিয়াম দিয়ে গঠিত। ১. এরা বহুকোষী। ১. এরা বহুকোষী।
২. নিউক্লিয়াসেnক্রোমাটিন বস্তু থাকে কিন্তু। নিউক্লিওলাস ও নিউক্লিয়ার পর্দা নাই। ২. নিউক্লিয়াসে ক্রোমাটিন বস্তু থাকে, নিউক্লিয়ার পর্দা আবৃত এবং নিউক্লিওলাস থাকে। ২. নিউক্লিয়াসে ক্রোমাটিন বস্তু থাকে, নিউক্লিয়ার পর্দা আবৃত এবং নিউক্লিওলাস থাকে। ২. নিউক্লিয়াসে ক্রোমাটিন বস্তু থাকে, নিউক্লিয়ার পর্দা আবৃত এবং নিউক্লিওলাস থাকে। ২. নিউক্লিয়াসে ক্রোমাটিন বস্তু। থাকে, নিউক্লিয়ার পর্দা আবৃত এবং নিউক্লিওলাস থাকে।
৩, এদের কোষে।

প্লাস্টিড,মাইটোকন্ড্রিয়া, এন্ডােপ্লাজমিক জালিকা নেই, কিন্তু। রাইবােসােম আছে।

৩. কোষে সকল ধরনের কোষ অঙ্গাণু থাকে। ৩. প্লাস্টিড ছাড়া সকল ধরণের অঙ্গাণু থেকে। ৩. কোষে সকল ধরনের কোষ অঙ্গাণু থাকে। ৩. কোষে প্লাস্টিড, কোষপ্রাচীর ও কোষগহ্বর ছাড়া সকল ধরনের অঙ্গাণু থাকে।
৪. দ্বিবিভাজন প্রক্রিয়ায় কোষ বিভাজন হয়। ৪. মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় কোষ বিভাজিত হয়। ৪. অ্যামাইটোসিস বা প্রত্যক্ষ প্রক্রিয়ায় কোষ বিভাজিত হয়। ৪. মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় দেহকোষ এবং মিয়ােসিস প্রক্রিয়ায় জননকোষ বিভাজিত হয়। ৪. মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় দেহকোষ এবং মিয়ােসিস প্রক্রিয়ায় জননকোষ বিভাজিত হয়।
৫. শশাষণ পদ্ধতিতে খাদ্য গ্রহণ করে এবং পরভােজী। ৫. শােষণ ও ফটোসিনথেটিক পদ্ধতিতে খাদ্য গ্রহণ ঘটে। এরা পরভােজী এবং স্বভােজী। ৫. শশাষণ পদ্ধতিতে খাদ্য গ্রহণ করে এবং মৃতজীবী বা পরজীবী বা মিথােজীবী। ৫.স্বভােজী বা নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করে। ৫.হেটারােট্রফিক অর্থাৎ পরভােজী।
৬. অযৌন প্রক্রিয়ায় প্রজনন ঘটে বংশ বৃদ্ধি করে। ৬. যৌন ও অযৌন প্রক্রিয়ায় প্রজনন ঘটে বংশ বৃদ্ধি। করে। ৬. অযৌন প্রক্রিয়ায় প্রজনন ঘটে বংশ বৃদ্ধি করে। ৬. যৌন প্রক্রিয়ায় প্রজনন ঘটে বংশ বৃদ্ধি করে। ৬. যৌন প্রক্রিয়ায় প্রজনন ঘটে বংশ বৃদ্ধি করে।
৭. ভূণ গঠিত হয় না। আমাশয়ের জীবাণু নিউমােকক্কাস ৭.ভূণ গঠিত হয় না। রাইজোবিয়াম ৭. ভূণ গঠিত হয় না। মিউকর অ্যাগারিকাস ৭. ভূণ গঠিত হয় আমগাছ। সাইকাস স্পাইরােগাইরা ৭. ভূণ গঠিত হয়। দোয়েল, শামুক
  • ফিনান্স ব্যাংকিং এসাইনমেন্ট

অর্থায়নের ক্রমবিকাশ (নিবন্ধ রচনার ক্ষেত্রে ভূমিকা, অর্থায়নের ধারণা, ক্রমবিকাশ এবং উপসংহার লিখতে হবে।)

উত্তর :

অর্থায়নের ক্রমবিকাশ

এক সময় মানুষ পণ্যের বিনিময়ে পণ্য বিনিময় করতাে। যাকে বার্টার সিস্টেমস বলা হতাে। কিন্তু দ্রব্য
বিনিময় প্রথার কিছু সীমাবদ্ধতা পরিলক্ষিত হয় এবং এ সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্যই অর্থের সূচনা হয়। অর্থনৈতিক ক্রমবিকাশের সাথে সাথে পণ্য দ্রব্য উৎপাদন প্রক্রিয়ায় শ্রমবিভাগের সূচনা ঘটে। অষ্টদাশ এবং উনবিংশ শতাব্দিতে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও উৎপাদনক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করে যা, শিল্প বিপ্লব নামে পরিচিতি লাভ করে। ব্যবসায়বাণিজ্য ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে সাথে প্রতিযােগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে হলে অর্থায়নের ধারণা ও ব্যবহার অত্যাবশ্যকীয় হয়ে পড়ে।

অর্থায়নের ধারণা:  অর্থায়ন তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করে। কোন উৎস থেকে কী পরিমাণ তহবিল সংগ্রহ করে, কোথায় কীভাবে বিনিয়ােগ করা হলে কারবারে সর্বোচ্চ মুনাফা হবে, অর্থায়ন সেই সংক্রান্ত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে। একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মালামাল বিক্রয় থেকে অর্থের আগমন হয়। কারবারে মালামাল প্রস্তুত ও ক্রয় করার জন্য বিভিন্ন ধরনের তহবিলের প্রয়ােজন হয়। যেমন: মেশিনপত্র ক্রয়, কাঁচামাল ক্রয়, শ্রমিকদের মজুরি প্রদান ইত্যাদি। এগুলাে তহবিলের ব্যবহার। তহবিলের এই প্রয়ােজন

অর্থায়নের ক্রমবিকাশ: অষ্টাদশ শতাব্দীতে অর্থায়ন মূলত হিসাবরক্ষণ ও আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ কার্যক্রম ও পরিকল্পনা প্রণয়ন করতাে। উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে ক্ল্যাসিকেল ধারার ব্যষ্টিক অর্থনীতির উন্নয়নের সাথে অর্থায়ন সম্পৃক্ত ছিল। অর্থায়নের ক্রমবিকাশের ধারা অর্থায়নের প্রকৃতি ও আওতা সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট ধারণা দেয়। তাছাড়া ব্যবসায়প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত আর্থিক অবস্থা তুলে ধরার জন্য বিভিন্ন রকম প্রতিবেদন প্রস্তুত করণ এবং নগদ অর্থের ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান যাতে করে যথাসময়ে প্রদেয় বিল পরিশােধ করতে পারে, তা অর্থায়নের ধারায় অর্থায়নের কাজ হিসেবে অন্তরভূক্ত হয়। কিন্তু সভ্যতা বিকাশের সাথে সাথে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের আওতা ও পরিধি বৃদ্ধি ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন একজন আর্থিক ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব ও কার্যাবলীকে পরিবর্তন করেছে সেই সাথে অর্থায়ন বিষয়ক ধারণা ও পরিবর্তিত হয়েছে। নিম্নোক্ত আলােচনায় অর্থায়নের ক্রমবিকাশের ধারা সংক্ষেপে তুলে ধরা হলাে:

ক) ১৯৩০-এর পূর্ববর্তী দশক : এই সময়কালে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলাের মধ্যে একত্রীকরণের প্রবণতা শুরু হয়। আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণ করে কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে কোন প্রতিষ্ঠান একত্রীকরণ হওয়া উচিত এই সংক্রান্ত রূপরেখা দিতে আর্থিক ব্যবস্থাপকদের দায়িত্ব পালন করতে হয়। তারা এই একত্রীকরণে বিশাল অংকের অর্থসংস্থান ও আর্থিক বিবরণী তৈরি করার দায়িত্ব পালন করেন।

খ) ১৯৩০-এর দশক : একত্রীকরণ প্রবণতা যুক্তরাষ্ট্রে যথেষ্ট সফলতা পায়নি। আগের দশকে একীভূত অনেক প্রতিষ্ঠানই পরের দশকে দেউলিয়া হয়ে যায়। উপরন্তু ত্রিশের দশকে যুক্তরাষ্ট্রে চরম মন্দা শুরু হয়। অনেক লাভজনক প্রতিষ্ঠানও ক্ষতিগ্রস্তের তালিকায় পড়ে যায়। সেমতাবস্থায় কারবারগুলাে পুনর্গঠন করে কীভাবে প্রতিষ্ঠানগুলােকে দেউলিয়াত্ব থেকে রক্ষা করা রাখা যায়, এ ব্যাপারে আর্থিক ব্যবস্থাপক বিশেষ দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় থেকেই শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে অর্থায়নের প্রয়ােজন দেখা দেয়।

গ) ১৯৪০-এর দশক : এ সময়ে সুষ্ঠুভাবে কারবার পরিচালনার জন্য তারল্যের প্রয়ােজনীয়তা বিশেষভাবে উপলব্ধি করা যায়। নগদ অর্থপ্রবাহের বাজেট করে সুপরিকল্পিত নগদপ্রবাহের মাধ্যমে অর্থায়ন সেই দায়িত্ব পালন করে।

ঘ) ১৯৫০-এর দশক : এই দশকে অর্থায়ন পূর্বের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে সর্বোচ্চ লাভজনক বিনিয়ােগ প্রকল্প মূল্যায়নে নানা প্রকার গাণিতিক বিশ্লেষণ কাজে নিয়ােজিত হয়। সুদূরপ্রসারী প্রাক্কলনের মাধ্যমে উপযুক্ত দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়ােগ করে বিক্রয় বৃদ্ধি ও ব্যয় হ্রাস করে মুনাফা সর্বোচ্চকরণ করাই তখন অর্থায়নের প্রধান কাজে পরিণত হয়। এই ধারাকে অর্থায়নের সনাতন ধারা হিসেবে গণ্য করা হয়।

ঙ) ১৯৬০-এর দশক : এই সময় থেকেই আধুনিক অর্থায়নের যাত্রা শুরু। অর্থায়ন মূলধন বাজারকে অগ্রাধিকার দিতে শুরু করে। শেয়ারহােল্ডাররা প্রতিষ্ঠানের মালিক ফলে শেয়ার হােল্ডারদের সম্পদ বা শেয়ারের বাজারদর সর্বাধিকরণই ছিল এই সময়ের অর্থায়নের উদ্দেশ্য। এই উদ্দেশ্যকে সফল করার ক্ষেত্রে নানা রকম আর্থিক বিশ্লেষণমূলক কার্য শুরু হয়। অর্থায়নে ঝুঁকির ধারণা বুঝিয়ে দেয় যে মনাফা বদ্ধির সাথে সাথে সাধারণত ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। সুতরাং মুনাফা বৃদ্ধি সর্বদা কাক্ষিত নাও হতে পারে।
চ) ১৯৭০-এর দশক : এই দশকে কম্পিউটার অধ্যায়ের শুরু হয়, যা শুধু উৎপাদন কৌশলই নয়, কারবারি অর্থায়নকেও পাল্টিয়ে দেয়। অর্থায়ন এখন অংকনির্ভর হয়ে উঠেছে। বেশির ভাগ আর্থিক সিদ্ধান্ত | মূলত জটিল অংকনির্ভর এবং কম্পিউটারের মাধ্যমেই তা সুচারুরূপে সম্পাদন করার প্রবণতা এই সময়ে বিশেষ জনপ্রিয়তা পায়। যেমন ঝুঁকির ধারণা এখন অনেকটা সঠিকভাবে পরিমাপ ও ব্যবস্থাপনা করা হয়। মূলধনি কাঠামাের সনাতন ধারণাও অনেক জটিল ও অংকনির্ভর হয়। এই সময় যেসব তাত্ত্বিক কারবারি অর্থায়নকে নানা তত্ত্বের বিশ্লেষণে সমৃদ্ধ করেছিলেন, তাদের মধ্যে হ্যারি মার্কোইজ, মার্টন মিলার, মডিগ্নিয়ানি ছিলেন উল্লেখযোেগ্য। পরবর্তীতে ১৯৯০-এর দশকে এসব তাত্ত্বিকগণ গাণিতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে অর্থায়নের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য নােবেল পুরস্কার লাভ করেন

ছ) ১৯৮০-এর দশক : ব্যবসায় সম্প্রসারণ ও প্রতিযােগিতামূলক বাজারব্যবস্থায় টিকে থাকার জন্য অর্থায়ন তার সনাতনী দায়িত্বের পরিবর্তন করে নতুনরূপে আবির্ভূত হয়। এই সময় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন প্রকল্পের মধ্যে মূলধনের সুদক্ষ বণ্টন ও প্রকল্পগুলাে হতে অর্জিত আয়ের বিচার-বিশ্লেষণই ছিল অর্থায়নের মূল বিষয়।

জ) ১৯৯০-এর দশক ও আধুনিক অর্থায়নের সূচনা : এই দশকে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (World Trade Organization) আত্মপ্রকাশ করে। বিশ্বব্যাপী আমদানি-রপ্তানির প্রতিবন্ধকতা ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। অর্থায়নও এ সময়ে আন্তর্জাতিকতা লাভ করে। একদিকে যেমন অর্থায়নের বিনিয়ােগ সিদ্ধান্ত পৃথিবীর কোথায়, কোন পণ্য প্রস্তুত করা ও বিক্রয় করা লাভজনক সেটা বিবেচনা করে, আরেকদিকে বিশ্বের কোন মূলধনি বাজার কী প্রকৃতির ও কোথা থেকে তহবিল সংগ্রহ করা লাভজনক, তাও অর্থায়নের বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়। ফলে অর্থায়ন হলাে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় একটি প্রায়ােগিক সমাধানের ক্ষেত্র, যা হিসাবরক্ষণ, অর্থনীতি ও অন্যান্য আর্থিক বিষয়গুলােকে সংমিশ্রণ করে সৃষ্টি হয়েছে।

অর্থায়নের আওতা বা পরিধি ব্যাপক বিস্তৃত। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যেমন- ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক তথা সার্বিক কর্মকাণ্ডে আর্থিক লেনদেন অপরিহার্য। অর্থ ছাড়া যেমন দৈনন্দিন জীবনের অর্থনৈতিক কথাবার্তা চিন্তা করা যায় না। তেমনিভাবে অর্থ ছাড়া একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ও অচল। তাই অর্থকে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের জীবনীশক্তি (Life blood) বলা হয়। সমাজ ও সভ্যতার ক্রমবিকাশ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে সাথে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের পরিধি ও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলশ্রুতিতে আধুনিক পণ্য বাজারে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলাের মধ্যে প্রচণ্ড প্রতিযােগিতা সৃষ্টি হয়েছে। তাই প্রতিযােগিতামূলক ব্যবসায়িক পরিবেশে মুনাফা অর্জন করতে হলে একজন ব্যবসায়ীকে যুগউপযােগী পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে ও যথাযথ ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্থের ব্যবহার সুনিশ্চিত করতে হবে, যেন পণ্য উৎপাদন খরচ, বিক্রয় খরচ ও অন্যান্য খরচ সর্বনিম্ন রাখা সম্ভব হয় এবং ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হয়।

  • পৌরনীতি এসাইনমেন্ট

পৌরনীতি ও নাগরিকতা বিষয়টি পাঠ-শেষে তােমার অর্জনসমূহের তালিকা সম্বন্বিত একটি পােস্টার তৈরি কর।

সংকেত: (নিচের বিষয়বস্তু সম্পর্কে তুমি যা জেনেছ) ১। নাগরিকতা ২। পরিবার ৩। সমাজ ৪। রাষ্ট্র ৫। আন্তর্জাতিক সংস্থা

উত্তর: পৌরনীতির ইংরেজি শব্দ সিভিক্স (Civics)। সিভিক্স শব্দটি দু’টি ল্যাটিন শব্দ সিভিস (Civics) এবং সিভিটাস (Civitas) থেকে এসেছে। সিভিস (Civis) শব্দের অর্থ নাগরিক (Citizen) আর সিভিটাস শব্দের অর্থ নগর-রাষ্ট্র (City State)।

(১) নাগরিকতা: প্রাচীন গ্রিসে নাগরিক ও নগর-রাষ্ট্র ছিল অবিচ্ছেদ্য। ঐ সময় গ্রিসে ছােট অঞ্চল নিয়ে গড়ে ওঠে নগর-রাষ্ট্র। যারা নগর রাষ্ট্রীয় কাজে। সরাসরি অংশগ্রহণ করত, তাদের নাগরিক বলা হতাে। শুধু পুরুষশ্রেণি রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণের সুযােগ পেত বিধায় তাদের নাগরিক বলা হতাে। বর্তমানে নাগরিকের ধারণার পরিবর্তন ঘটেছে। পাশাপাশি নগর-রাষ্ট্রের স্থলে বৃহৎ আকারের জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যেমনবাংলাদেশের ক্ষেত্রফল ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলােমিটার এবং লােকসংখ্যা প্রায় ১৫ কোটি। আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। নাগরিক অধিকার ভােগের পাশাপাশি আমরা রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে থাকি। তবে আমাদের মধ্যে যারা অপ্রাপ্তবয়স্ক অর্থাৎ যাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে, তারা ভােটদান কিংবা নির্বাচিত হওয়ার মতাে রাজনৈতিক অধিকার ভােগ করতে পারে না। তাছাড়া বিদেশিদের কোনাে
রাজনৈতিক অধিকার ভােগ করার সুযােগ নেই। যেমন- নির্বাচনে ভােট  দ্বারা নির্বাচিত হওয়ার সুযােগ নেই। মূলত রাষ্ট্র প্রদত্ত নাগরিকের মর্যাদা কে নাগরিকতা বলে।

(২) পরিবার: সমাজ স্বীকৃত বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে স্বামী-স্ত্রীর একত্রে বসবাস করাকে পরিবার বলে। অর্থাৎ বৈবাহিক সম্পর্কের ভিত্তিতে এক বা একাধিক পুরুষ ও মহিলা তাদের সন্তানাদি, পিতামাতা এবং অন্যান্য পরিজন নিয়ে যে সংগঠন গড়ে ওঠে তাকে পরিবার বলে।ম্যাকাইভারের মতে, সন্তান জন্মদান ও লালন পালনের জন্য সংগতি ক্ষুদ্র বগকে পরিবার বলে। আমাদের দেশে সাধারণত মা-বাবা, ভাই-বােন, চাচা
চাচি ও দাদা-দাদির সমন্বয়ে পরিবার গড়ে ওঠে। তবে শুধু একজন মহিলা বা একজন পুরুষকে পরিবার বলা হয় না। মূলত পরিবার হলাে স্নেহ, মায়া, মমতা, ভালােবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে গঠিত ক্ষুদ্র সামাজিক প্রতিষ্ঠান। আমরা সবাই পরিবারে বাস করি। কিন্তু সব পরিবারের প্রকৃতি ও গঠন কাঠামাে একরকম নয়। কতগুলাে নীতির ভিত্তিতে পরিবারের শ্রেণীবিভাগ করা যায়।

যেমন

(ক) বংশ গণনা ও নেতৃত্ব

(খ) পারিবারিক কাঠামাে এবং

(গ) বৈবাহিক সূত্র।

(৩) সমাজঃ সমাজ বলতে সেই সংঘবদ্ধ জনগােষ্ঠীকে বােঝায়, যারা কোনাে সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য একত্রিত হয়। অর্থাৎ একদল লােক যখন সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য সঙ্গবদ্ধ হয়ে বসবাস করে, তখনই সমাজ গঠিত হয়।

সমাজের এ ধারণাটি বিশ্লেষণ করলে এর প্রধান দুটি বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়।

যথাঃ ক) বহুলােকের সংঘবদ্ধভাবে বসবাস এবং

খ) ঐ সংঘবদ্ধতার পেছনে থাকে সাধারণ উদ্দেশ্য।

তাছাড়া সমাজের সদস্যদের মধ্যে আরও কিছু বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায় ঐক্য ও পারস্পরিক সহযােগিতা,নির্ভরশীলতা,ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া,সাদৃশ্যবৈসাদৃশ্য ইত্যাদি।

সমাজের সাথে মানুষের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। মানুষকে নিয়ে সমাজ গড়ে উঠে। আর সমাজ মানুষের বহুমুখী প্রয়ােজন মিটিয়ে উন্নত ও নিরাপদ  সামাজিক জীবন দান করে। সমাজের মধ্যেই মানুষের মানবীয় গুণাবলি ও সামাজিক মূল্যবােধের বিকাশ ঘটে। সমাজকে সভ্য জীবনযাপনের আদর্শ স্থান মনে করে বলে মানুষ তার নিজের প্রয়ােজনেই সমাজ গড়ে | তােলে। গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল যথাথই বলেছেন, মানুষ স্বভাবগত সামাজিক জীব। যে সমাজে বাস করে না, সে হয় পশু, না হয় দেবতা।বস্তুত মানুষ জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সমাজে বসবাস করে এবং সামাজিক পরিবেশেই সে নিজেকে বিকশিত করে।

(8) রাষ্ট্র: রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। বিশ্বের মানুষ কোনাে না কোনাে রাষ্ট্রে বসবাস করে। আমাদের এই পৃথিবীতে ছােট বড় মিলিয়ে প্রায় | ২০০ টি রাষ্ট্র আছে। প্রতিটি রাষ্ট্রেরই আছে নিদিষ্ট ভূখণ্ড এবং জনসংখ্যা। এ ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য আরও আছে সরকার এবং সার্বভৌমত্ব। মূলত এগুলাে ছাড়া কোনাে রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না।  অধ্যাপক গার্নার বলেন, “সুনিদিষ্ট ভূখণ্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী, সুসংগঠিত সরকারের প্রতি স্বভাবজাতভাবে আনুগত্যশীল, বহিঃশত্রুর নিয়ন্ত্রণ হতে মুক্ত স্বাধীন জনসমষ্টিকে রাষ্ট্র বলে। ৎ

এ সংজ্ঞা বিশ্লেষণ  করলে রাষ্ট্রের চারটি উপাদান পাওয়া যায়।

যথা

১। জনসমষ্টি

২। নিদিষ্ট ভূখণ্ড

৩। সরকার ও

৪। সার্বভৌমত্ব।

রাষ্ট্র কখন ও কীভাবে উৎপত্তি লাভ করেছে তা নিশ্চিত করে বলা । কঠিন। তবে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা অতীত ইতিহাস ও রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ
পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কে কতগুলাে মতবাদ প্রদান  করেছেন।

তন্মধ্যে উল্লেখযােগ্য হলাে
১। ঐশী মতবাদ।

২। বল বা শক্তি প্রয়ােগ মতবাদ

৩। সামাজিক চুক্তি মতবাদ ও

৪। ঐতিহাসিক বা বিবর্তনমূলক মতবাদ।

ঘ) আন্তর্জাতিক সংস্থা

দুই বা ততােধিক দেশে কর্মরত এক ধরনের সংস্থাবিশেষ। এতে সাধারণতঃ বেসরকারী সংস্থার তুলনায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ের জনগােষ্ঠীর সম্পৃক্ততাসহ সদস্য সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অধিক থাকে। এছাড়াও, সংস্থার কর্মক্ষেত্র কিংবা কর্মতৎপরতা ভিন্ন হয়। এ ধরনের সংস্থাগুলাে দেশের সরকার ব্যবৃস্থায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তবে সরকারের কর্মপন্থার সাথে সীমিত পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে থাকে। জাতিসংঘ ও রেডক্রস আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রকৃত উদাহরণ। এছাড়াও রয়েছে (OIC), কমনওয়েলথ ইত্যাদি।

আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রধানতঃ দুই ধরনের হয়ে থাকে।সেগুলো হচ্ছে –

  • আন্তর্জাতিক বেসরকারী সংস্থা ও
  • আন্তঃসরকার সংস্থা

যে-সকল বেসরকারী সংস্থা বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে, সেগুলো আন্তর্জাতিক বেসরকারী সংস্থারূপে পরিচিতি লাভ করে। এ ধরনের সংস্থা আবার দুই প্রকার। যথা :-

  • আন্তর্জাতিক অ-লাভজনক সংস্থা: বিশ্ব স্কাউট আন্দোলন সংস্থা, ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অফ দ্য রেড ক্রস, মেডিসিনস্‌ স্যান্স ফ্রন্টিয়ার্স ইত্যাদি।
  • আন্তর্জাতিক করপোরেশন: সচরাচর আন্তর্জাতিক করপোরেশন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। কোকা-কোলা কোম্পানী, পেপসিকো, টয়োটা ইত্যাদি এ জাতীয় করোপরেশনের প্রধান উদাহরণ। 

তথ্য সহায়ক ওয়েবসাইট : Wikipedia, Youtube

আরও পড়ুন : সকল শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর

 

আগামী সপ্তাহের বিষয়সমূহ

  • ২য় সপ্তাহ : ইংরেজী ও জীববিজ্ঞান/ পৌরনীতি ও নাগরিকতা/ ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং।
  • ৩য় সপ্তাহ : গণিত ও উচ্চতর গণিত/ কৃষি শিক্ষা/ অর্থনীতি/ গার্হস্থ্য বিজ্ঞান/চারুকলা।
  • ৪র্থ সপ্তাহ : বাংলা ও রসায়ন/ ব্যবসায় উদ্যোগ/ ভূগোল ও পরিবেশ।
  • ৫ম সপ্তাহ : ইংরেজী, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং বিজ্ঞান।

বিশেষ সতর্কতা : উপরোক্ত নমুনা উত্তরগুলো দেওয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য হল, শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত বিষয়ের উপর ধারণা দেওয়া । ধারণা নেওয়ার পর অবশ্যই নিজের মত করে এসাইনমেন্ট লিখতে হবে ।

স্বীকারোক্তিঃ এখানে উপস্থাপিত সকল তথ্যই দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোক দ্বারা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা। যেহেতু কোন মানুষই ভুলের ঊর্দ্ধে নয় সেহেতু আমাদেরও কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকতে পারে।সে সকল ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী এবং একথাও উল্লেখ থাকে যে এখান থেকে প্রাপ্ত কোন ভুল তথ্যের জন আমরা কোনভাবেই দায়ী নই এবং আপনার নিকট দৃশ্যমান ভুলটি আমাদেরকে নিম্নোক্ত মেইল / পেজ -এর মাধ্যমে অবহিত করার অনুরোধ জানাচ্ছি।

ই-মেইলঃ admin@admissionwar.com অথবা এইখানে ক্লিক করুন।

admissionwar-fb-pageaw-fb-group

১০ Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back to top button